খুশকি মুক্ত চুল পেতে যা করণীয়!

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। প্রথমেই একটু বক বক করে নেই। নয়তো আবার পরে আফসোস করবো এই বলে যে, আহারে! সবাইকে তো টিপস শেয়ার করলাম কিন্তু মনের কথাটা মনেই থেকে গেল? তাহলে ব্লগইন করে মজাটাই বা কি হলো বলুন? তো আজ আমার শরীরটা বেশ ভালো তবে মনটা একটু খারাপ! কেন জানেন?...    তারিখঃ ০৭/০৪/২০১২  |  সবটুকু পড়ুন »

Thursday, May 24, 2012

ইন্টারনেট এর ইতিহাস !

ইন্টারনেট হলো ইন্টারনেট্ওয়ার্ক (internetwork) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটা বিশেষ গেটওয়ে বা রাউটারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো একে-অপরের সাথে সংযোগ করার মাধ্যমে গঠিত হয়। ইন্টারনেটকে প্রায়ই নেট বলা হয়ে থাকে।

যখন সম্পূর্ণ আইপি নেটওয়ার্কের আন্তর্জাতিক সিস্টেমকে উল্লেখ করা হয় তখন ইন্টারনেট শব্দটিকে একটি নামবাচক বিশেষ্য মনে করা হয়।

ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব দৈনন্দিন বক্তৃতায় প্রায়ই কোন পার্থক্য ছাড়া ব্যবহৃত হয়। যাইহোক, ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব একই নয়। ইন্টারনেটের হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার পরিকাঠামো কম্পিউটারসমূহের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক তথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করে। বিপরীতে, ওয়েব ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদত্ত পরিষেবাগুলির একটি। এটা পরস্পরসংযুক্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য সম্পদ সংগ্রহের, হাইপারলিংক এবং URL-দ্বারা সংযুক্ত।


ইন্টারনেটের ইতিহাসের শুরু হয় ১৯শতকে টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা আবিষ্কারের সময় যদিও এটা বিতর্কিত। আধুনিক ইন্টারনেটের ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৫০ - ১৯৬০র দশকে কম্পিউটারের উন্নয়নের সময়। এটা শুরু হয়েছিল মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও টার্মিনালগুলোর পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট যোগাযোগ (point-to-point communication) এর মাধ্যমে, যেটা বেড়ে হয়েছিল কম্পিউটার পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ (point-to-point connection) এবং পরে প্রথমদিকের প্যাকেট সুইচিং গবেষনায়। প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যেমন অর্পানেট (ARPANET), (মার্ক ১) Mark I, সাইক্লেডস (CYCLADES), মেরিট নেটওয়ার্ক (Merit Network), টাইমনেট (Tymnet), এবং টেলিনেট (Telenet) ইত্যাদির উন্নয়ন হয়েছিল ১৯৬০ এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৭০ দশকের শুরুর দিকে বিভিন্ন ধরনের প্রোটোকল ব্যবহার করে, অর্পানেট এইক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তারা এমন একটি প্রোটোকল তৈরী করে ইন্টারনেট ওয়ার্কিং এর জন্য যাতে একই সঙ্গে দুই-এর অধিক কিন্তু আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক যোগ হতে পারে।




১৯৮২ তে ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইস (TCP/IP) কে আদর্শ করা হয় এবং ওয়াল্ড ওয়াইড নেটওয়ার্কের সাথে টিসিপি/আইপির মাধ্যমে আন্তঃসংযুক্ত নেটওয়ার্কগুলোকে বলা হত ইন্টারনেট তার সূচনা করা হয়। অর্পানেট ১৯৮১ সালে ছড়িয়ে পড়ে যখন ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন (NSF) একটি কম্পিউটার সাইন্স নেটওয়ার্কের (CSNET) উন্নয়ন করে এবং আবার ১৯৮৬তে যখন এনএসএফনেট (NSFNET) ইউনাইটেড স্টেটস এর গবেষণা ওশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপার কম্পিউটার সাইটগুলোতে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়। ১৯৯০ এ অর্পানেটকে কর্মবিরত করা হয়।

বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (internet service providers) বা আইএসপি'র (ISP) উদ্ভব হতে থাকে ১৯৮০র শেষের থেকে ১৯৯০র প্রথম দিকে। ১৯৯৫ এর মধ্যে ইন্টারনেট বানিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হওয়া শুরু করে যখন এনএফএসনেট কর্মবিরত হয় এতে ইন্টারনেট ব্যবহারের শেষ বাধা দূর হয়।

১৯৯০ এর মাঝামাঝি থেকেই সংস্কৃতি এবং বানিজ্যে ব্যপক প্রভাব ফেলে প্রায় ইনস্ট্যান্ট যোগাযোগের কাছাকাছি ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ই-মেইল, লেখা ভিত্তিক ডিসকাসন ফোরাম এবং ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব। গবেষণা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উন্নত নেটওয়ার্কগুলোর ব্যবহার শুরু করে যেমন এনএফএস'র দ্রুতগতির ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক সার্ভিস (vBNS) এবং ইন্টারনেট২, বর্ধিত ডেটার আদানপ্রদান গতি বাড়তে লাগল ফাইবার অপটিক এর মাধ্যমে। নেটওয়ার্কগুলো এখন ১-জিবিপিএস ১০-জিবিপিএস(Gbps) বা আরও বেশি গতি নিয়ে বাড়ছে বাণিজ্য, আনন্দমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ দ্বারা তথ্য এবং জ্ঞানের সমুদ্রে ।

ধন্যবাদ।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া।

0 comments:

Post a Comment