খুশকি মুক্ত চুল পেতে যা করণীয়!

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। প্রথমেই একটু বক বক করে নেই। নয়তো আবার পরে আফসোস করবো এই বলে যে, আহারে! সবাইকে তো টিপস শেয়ার করলাম কিন্তু মনের কথাটা মনেই থেকে গেল? তাহলে ব্লগইন করে মজাটাই বা কি হলো বলুন? তো আজ আমার শরীরটা বেশ ভালো তবে মনটা একটু খারাপ! কেন জানেন?...    তারিখঃ ০৭/০৪/২০১২  |  সবটুকু পড়ুন »
Showing posts with label Download. Show all posts
Showing posts with label Download. Show all posts

Saturday, August 4, 2012

নিমিষেই বানিয়ে ফেলুন রিমিক্স গান!

পোষ্টি পাঠিয়েছেন : আশিক খান । সোনার বাংলাদেশ থেকে ....

কেমন আছেন সবাই আশাকরি সবাই ভালই আছেন ।আজ আমি আপনাদের সামনে একটি ব্যাতিক্রমধর্মী টিউন নিয়ে হাজির হয়েছি।ব্যাতিক্রম এই জন্য যে,আমি সাধারণত এ বিষয়ের উপরে টিউন করি না।কিন্তু আজ না করে পারলাম না,ভাবলাম টিউনটি করে হয়ত আপনাদের সাথে একটা বড় কিছু শেয়ার করতে পারব।বন্ধুরা,আসলেই এটা অনেক বড় কিছু যা হয়ত আপনি কল্পনা করতে পারবেন না। সাইজে ছোট কিন্তু কাজে অনেক বড়, এমনই একটি সফটওয়্যার এটি। এক কথায়,বিন্দুর মধ্যে সিন্ধু প্রমাণ কাজ করে এটি।




সফটওয়্যারটির নাম mp3 remix .নাম শুনেই নিশ্চয়ই কাজ প্রায় বুঝে গেছেন।তবে নাম এমন হলেও এটিতে ভিডিও গানও বাজানো যায়। এটা একটা স্বতন্ত্র সফটওয়্যার যা কোন প্লেয়ারের সাহায্য ছাড়াই চলতে পারে,তাছাড়া এর নিজস্ব প্লেয়ার আছে।এজন্য এটি একইসাথে নিজেই প্লেয়ার,নিজেই মিক্সার।তবে এর এতে যে শুধু বিল্টইন সাউন্ড ইফেক্ট যোগ করেই গান রিমিক্স করা যায় তা নয়,এর সাহায্যে আপনি নিজেও বিভিন্ন সাউন্ড ইফেক্ট তৈরি করতে পারবেন।আর হাজার হাজার বিল্ট ইন সাউন্ড ইফেক্ট তো আছেই।এর বাহ্যিক রূপটি দেখুন।
undefined

প্রথমে সফটওয়্যারটি এখান থেকে ডাউনলোড করুন
চেহারা দেখে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই,এটা এতো জটিল কিছু নয়।এর বিভিন্ন অংশ নিচে লেবেলিং করে দেখান হল
undefined

GROUPS OF SOUND EFFECTS বলতে সাউন্ড ইফেক্টের গ্রুপ বোঝান হয়েছে।সাউন্ড ইফেক্ট গুলো কোথায় প্রদর্শিত হয় তা তো লেবেলিং করে দেখানোই হল। বামে আছে সাউন্ড লেভেল।এর স্লাইডারটিকে ডানে বামে সরিয়ে ইফেক্টের সাউন্ড আর মূল গানের সাউন্ডের মধ্যে ব্যালান্স করতে পারবেন।

OPEN BUTTON এ ক্লিক করলে নিচের মত বক্স আসবে
undefined

এর মাধ্যমে আপনি যে গানটিকে রিমিক্স করতে চান তা আপনার পিসি থেকে সিলেক্ট করতে পারবেন।আর রেকর্ড বাটনতো দেখতেই পাচ্ছেন।

ব্যস, গান বাজতে থাকবে আর সাউন্ড ইফেক্টগুলো গানের সাথে সমন্বয় সাধন করে রিমিক্স হিসেবে এড হতে থাকবে।এখানেই শেষ নয়।মাত্র তো শুরু হল। আপনি ইচ্ছা করলে যে কোনো সাউন্ড ইফেক্ট বন্ধ রাখতে পারেন ঐ ইফেক্টের ঘরে ক্লিক করে। নিচে দেখুন।
undefined

আমি বামপাশের সবগুলো ইফেক্ট বন্ধ রেখেছি তাই এসব ঘর কালচে নীল দেখাচ্ছে।ডানপাশের ইফেক্টগুলো সক্রিয় আছে তাই এসব ঘর উজ্জল নীল দেখাচ্ছে।আর আপনি যদি সব গুলো ইফেক্টই বন্ধ রাখতে চান তাহলে উপরে ডানকোনায় যে সবুজ বাটন আছে তাতে ক্লিক করুন।ব্যস।অন করতে চাইলে আবার ক্লিক করুন।

ইফেক্ট কিন্তু এই কয়টাই নয়,আরো আছে। নিচে দেখানো লাল চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করুন।
undefined

তাহলে নিচের মত মেনু দেখবেন।
undefined

এখান থেকে লোড লুপ সিলেক্ট করুন। নিচের মত সাউন্ড ইফেক্টের বিশাল ভান্ডার আপনার সামনে ধরা দেবে।
undefined

দেখুন factory3 ইউজারের অধীনে আছে বেশ কয়েকটা লাইব্রেরী যেমন,boom,east coast ইত্যাদি আর প্রতিটা লাইব্রেরীতে আছে এর ডানপাশে প্রদর্শিত একঝাক ইফেক্টের মত অসংখ্য ইফেক্ট ।এখন যে ইফেক্টগুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলা তো শুধু boom লাইব্রেরীর ইফেক্ট!!!বাকি লাইব্রেরীগুলোর অবস্থা তাহলে চিন্তা করেন!!!

তাছাড়া আপনি নিচে প্রদর্শিত modify loop অপশনের মাধ্যমে যেকোনো ইফেক্টের পরিবর্তন ঘটাতে পারবেন।
undefined

Modify loop এ ক্লিক করার ফলে নিচের মত বক্স আসবে।
undefined

এখানে volume এর মাধ্যমে ইফেক্টের সাউন্ড বাড়ানো বা কমানো যায়। NOTE DURATION ,NOTE PER MEASURE ,MEASURES PER LOOP ইত্যাদির মাধ্যমে ইফেক্টটি কত ঘন ঘন বাজবে তা নির্ধারন করা যায়।

Select sound এ ক্লিক করলে নিচের মত বক্স পাওয়া যায়।
undefined

এখানে ১৬টি ঘর দেখতে পাচ্ছেন,প্রতিটা ঘরেই এক একটি সাউন্ড সেট করে দিতে পারবেন যারা একসাথে বাজবে তাল মিলিয়ে। ১৬ টি সাউন্ডই যে সেট করতে হবে এমন কোন কথা নেই।আপনি ইচ্ছা করলে ১টা বা ২টা সাউন্ডও সেট করে দিতে পারেন।এখানে প্রতিটা ঘরের পাশে যে সিলেক্ট বাটন আছে তাতে ক্লিক করে সাউন্ড লোড করতে পারবেন নিচের মত।
undefined

এই বক্সটাও আগে দেখানো বক্সের মত তবে এতেও সাউন্ডের পরিমান অনেক। এখানে ডিজে রা যে সকল ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করে তার প্রায় সবগুলো সাউন্ডই পাবেন।প্রয়োজনীয় সাউন্ড সিলেক্ট করে বেরিয়ে আসুন।ব্যস,এভাবেই আপনি তৈরি করে ফেললেন আপনার মনের মত সাউন্ড ইফেক্ট।এই ইফেক্টটি save as… এর মাধ্যমে অন্য নামে সেভ করুন যাতে তা বিল্টইন সাউন্ডকে ওভার রাইট না করে।

এবার পছন্দ মত গান সিলেক্ট করে বাজান আর তৈরি করুন রিমিক্স!!!

জিপ ফাইল এক্সট্রাক্ট করার পরে remixInstallSTD-306 নামে একটা ফাইল পাবেন,এটাই সেটাপ ফাইল।এটি ইন্সটলের পরে ক্র্যাক ফোল্ডারে গিয়ে নিচের মত পাবেন।


প্রথম থেকে ২ নং ফাইল যেটা সিলেক্ট করা আছে,তা ওপেন করুন।কীজেন আসবে।
undefined

মিষ্টি মধুর মিউজুকের তালে তালে জেনারেট বাটনে ক্লিক করুন।নিচের মত লেখা আসবে।


হ্যা এইবার এটা ছাড়াও আরেকটা যে রেজিস্ট্রেশন এডিটর ফাইল আছে CR-MR3PL নামে।ঐটাতে ক্লিক করুন।কর্ম done!!!

/////////////////////////কষ্ট করে মন্তব্য করতে ভুলবেন না
আবারও আমি ডাউনলোড লিংক দিলাম ডাউনলোড করতে
এখানে ক্লিক করেন

[লেখাটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কপিরাইট লেখকের। এখানে আইটি ওয়ার্ল্ডের কোন হাত নেই]
»» Read more

Sunday, May 6, 2012

ফিরিয়ে আনুন আপনার কম্পিউটার থেকে ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইল...

undefined

আমরা প্রতিনিয়ত কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকি। অনেক সময় দেখা যায় ভুল করে জরুরি ফাইলটা ডিলিট করে ফেলেছেন অথবা আপনার কোন জরুরি ফাইল আপনার ছোট ভাই/বোন না জেনেই ডিলিট করে ফেলেছে, বিশেষ করে অফিসের জরুরি ফাইল ডিলিট হয়ে গিয়েছে, যেগুলি রিসাইকেল বিনেও নেই, একেবারে হাওয়া হয়ে গিয়েছে, তখনতো একেবারে মাথায় হাত! আজ আমি আপনাদের সেই ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইলটি কিভাবে ফিরিয়ে আনবেন সেটাই দেখাব। এটা দিয়ে সেভ করা হয়নি এমন ওয়ার্ড ডকুমেন্টও ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

আসুন তাহলে শুরু করা যাক : -

এর জন্য আমাদের প্রথমেই 'Recuva' নামের এই 204 MB এর এই সফ্টওয়ারটা ডাউনলোড করে নিতে হবে। আর এটা ডাউনলোড করতে আপনাকে Click this link... যেতে হবে।




ডাউনলোড হয়ে গেলে ইন্সটল করেনিন আপনার সেই পিসিতে যেটার ফাইল ফিরিয়ে আনতে চান।





এটা খুব দ্রুত কাজ করে, ডিপ স্ক্যান করে,এক্সপি সাপোর্টেড, , কোনো ফাইলকে যদি চিরতরে মুছে ফেলতে চান সেটাও পারবেন, ইমেইল রিকোভার করা যায়, খুব কম সময়ে ওধিক ফাইল রিকোভার করতে পারে।
তাহলে আর দেরি কেন ? আসুন শুরু করে দেই...


সুত্র: Click this link...
»» Read more

সফটওয়্যার ইনস্ট্রলার তৈরী করুন এবার নিজেই!

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম। আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। গতকাল "আরিফ" নামের একটা ভাইয়া আমায় ফোন দেয়। উনি অবশ্য কুষ্টিয়া থাকেন। যাই হোক উনি আমায় উনার একটা সমস্যার কথা আমায় জানান। আমায় উনি বলেন ভাইয়া আমি সফটওয়্যারের ইনস্ট্রলার বানাতে চাই। কিন্তু কীভাবে বানাবো বুঝতে পারছি না। আপনার জানা থাকলে একটু বলবেন। আর যদি কোন সফটওয়্যারের লিং জানা থাকে তাহলে বলবেন প্লীজ। তাহলে বেশ উপকার হয়। আমি উনাকে WinRAR এর কথা বললাম। অবশ্য উনার সমস্যা সমাধানও হয়ে গেছে। তবুও ভাবলাম একটা সফটওয়্যার শেয়ার করতে দোষ কিসের?



Download Actual Installer


তাই মূলত এই পোষ্টটা করা। আমি এখন যেই সফটওয়্যারের কথা আপনাদের বলবো এটি ব্যবহার করে অনেক সহজেই সফটওয়্যারের ইনস্ট্রলার বানাতে পারবেন। সফটওয়্যারটি সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। একবার ব্যবহার করে দেখলেই বুঝবেন। নিজের বাটনটিতে ক্লীক করে "৪ মেগাবাইট" এর সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।




Download Actual Installer

কিছু স্ক্রীনশটঃ


Actual Installer - Main WindowSetup Wizard - Welcome Dialog

Actual Installer - Languages Tab

Setup Wizard - License Agreement Dialog

আশা করি সফটওয়্যারটি আপনাদের ভালো লাগবে ...
»» Read more

Wednesday, May 2, 2012

Garden Rescue


Garden Rescue v1.0-TE
PC | ENG | Developer: Rainbow Games | Publisher: Big Fish Games | 2012 | 94.98 Mb
Genre: Arcade / Strategy

A serious menace has approached the peaceful garden and you must help defend it in Garden Rescue! As masses of voracious insects rush to fill their maws, the garden-inhabiting plants lay aside their everyday jobs to save their tiny motherland. Command the defenses, lead the green defenders into action and rescue the garden from impending doom! Earn coins, upgrade your garden, place more plants. It's all in your hands!

Garden Rescue v1.0-TE

Garden Rescue v1.0-TE

Garden Rescue v1.0-TE 
 

Download Garden Rescue v1.0-TE:
Download from Letitbit
*******************
Download from Depositfiles
Download from Bitshare
»» Read more

Tuesday, May 1, 2012

পাঁচ মিনিটেই উইন্ডোজ ইনষ্টল!

অনেকেই হয়তো জেনেছেন ৫ মিনিটেই ইউন্ডোজ ইনষ্টল করা যায়। কিন্তু সেটা কিভাবে তা হয়তো জানেন না বা কখনো ট্রাই করে দেখেন নি কারন জানা নেই আসলে কিভাবে এটা ব্যাবহার করা হয়।

আমি একটা টিউটোরিয়াল নিয়ে এসেছি যাতে সহজেই আপনি নিজের উইন্ডোজ ব্যাকাপে রাখতে পারেন আর পরে প্রয়োজনে রিস্ট্রোর করতে পারেন। উল্লেখ্য, যারা এই সফটওয়ার সম্মন্ধে জানেন তাদের জন্য এই পোষ্ট না। সামনে আর পড়ার দরকার নেই, প্রথম পেইজে চলে যেতে পারেন।


প্রথমেই আপনাকে ডাওনলোড করতে হবে Acronis True Image Home 2009 ডাওনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। ডাওনলোড করতে যেতে হবে এখানে

সফটওয়ারটি ফ্রি না, সুতরাং ১৫ দিনের ট্রায়াল ভার্শন ব্যাবহার করতে পারেন, যদি কিনতে না পারেন।

আপনি যদি সফল ভাবে Acronis True Image Home 2009 ইনষ্টল করে থাকেন তাহলে এবার Start মেনুতে গিয়ে Acronis True Image Home 2009 সিলেক্ট করে Bootable Rescue Media Builder এ ক্লিক করুন। নিচের ছবির মত। এ ক্ষেত্রে আপনাকে থাকতে হবে সিডি রাইটার ও একটা Blank CD. যদি না থাকে তাহলে এই অপশনটি বাদ দিন। এই সিডির কাজ হলো কখনো উইন্ডোজ রান না হলে এই বুটেবল সিডি দিয়ে আপনি আপনার ফাইল রিস্ট্রোর করতে পারবেন।



যাই হোক ধরে নিচ্ছি আপনার কাছে প্রয়োজনীয় সব কিছুই আছে। পরবর্তি ধাপে যাচ্ছি। Next এ ক্লিক করে Acronis True Image Home সিলেক্ট করে নিন।
নিচের ছবির মত।


এবার Next এ গিয়ে পরবর্তি ইউন্ডোতে সিডি রাইটার সিলেক্ট করে নিন। নিচের ছবির মত।


যদি এই মুহুর্তে আপনার Blank CD না থাকে তাহলে ISO Image ফাইল বানিয়ে হার্ড ডিস্কে রেখে দিতে পারেন, যখনি হাতে সিডি আসবে, বার্ন করে নিতে পারবেন। এবার প্রসেস এ ক্লিক করে তৈরি করে ফেলুন বুটেবল সিডি।


এবার আসা যাক যেভাবে ব্যাকাপ করা হয়। একটা ক্লিয়ার উইন্ডোজ ব্যাকাপ নেয়ার আগে কয়েকটা টিপস মনে রাখা ভালো।

১/ মাই ডকুমেন্ট ও সি ড্রাইভের সব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুন। ডাওলোড ম্যানেজার বাই ডিফল্ট মাই ডকুমেন্ট এ একটা Download নামে ফোল্ডার তৈরি করে, সেটা চেক করে প্রয়োজনীয় ফাইল অন্য স্থানে নিয়ে বাকি সব ডিলেট করে ফেলুন।

২/ অপ্রয়োজনীয় সফটওয়ার আনইনষ্টল করে ফেলুন। রেজিষ্ট্রি ক্লিন করুন। এর জন্য CCleaner ব্যাবহার করতে পারনে।

৩/ ব্যাবহৃত ব্রাউজার গুলোর প্রয়োজনীয় সেটাপ করে নিন। যেমন ফন্ট, Favorite website এড করা ইত্যাদী।

৪/ এন্টি ভাইরাস আপডেট করে নিন।

৫/ প্রয়োজনীয় সব সফটওয়ার আপডেট করে নিন।

যাই হোক নিজের প্রয়োজন অনুষারে সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার উইন্ডোজ।

Acronis True Image Home 2009 রান করুন। Home ট্যাব এর ব্যাকাপ এ ক্লিক করুন। নিচের ছবির মত।



এবার নিচের ছবি ফলো করুন।


সিলেক্ট করুন সিস্টেম ড্রাইভ।


ব্যাকাপ করা ফাইলটি কোথায় Save করবেন সেটা সিলেক্ট করুন। Save করার সময় অবশ্যই সে ফাইলটি C ড্রাইভ ছারা অন্য ড্রাইভে করবেন। কারন কোন কারন বশত উইন্ডোজ করাপ্ট হলে যেন অন্য ড্রাইভ দেখে তা রিস্টোর করা যায়।

ফাইলের নাম দিন। জেনারেট নেম এ ক্লিক করলে Mybackup নামে একটা ডিফল্ট নাম আসবে ফাইলের। আপনি ইচ্ছে করলে সেটা পরিবর্তন করতে পারবেন, তবে সবার শেষে .tib টা চেঞ্জ করবেন না।


এর পর Next এ ক্লিক করুন। সিডিউল অপশনে এসে Do not schedule এ রেখে (এটা ডিফল্ট হিসেবেই থাকে) Next এ ক্লিক করুন।

এবারে Step এ Full অথবা ডিফল্ট হিসেবে থাকা Incremental রেখে Next এ ক্লিক করুন।

এবারের Step এ কোন কিছু সিলেক্ট করার প্রয়োজন নেই। সিলেক্ট করলে অনেক সময় প্রসেসিং ফেইল দেখায়। Next এ যান।
ছবি নিচে।


এবারে Step এ যদি ব্যাপ করা ফাইলটাকে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করতে চান তাহলে পাসওয়ার্ড দিতে পারেন। আর না চাইলে এ Step রেখে Next এ যান। ছবি নিচে।


এবারের Step এ কিছু করার দরকার নেই। পরবর্তি Step এ যান।

এই Step তেও কোন পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। Next এ যান।

এবার প্রসিড এ ক্লিক করুন। ছবি নিচে।


সব কিছু ঠিক থাকলে কিছুক্ষনের মধ্যেই ব্যকাপ প্রসেস শুরু হবে। শুধু মাত্র মাদারবোর্ড ড্রাইভার সহ উইন্ডোজ ব্যাকাপ নিলে ৫ থেকে ৭ মিনিট লাগতে পারে। ফাইল সাইজ হতে পারে ১.৫ থেকে ২ জিবি। আর সব সফটওয়ার সহ নিলে সময় একটু বেশী নিবে এবং ফাইল সাইজ হতে পারে ৩.৫ থেকে ৪.৫ জিবি।

ব্যাকাপ নেয়া সফল হলে মেসেজ পাবেন।


এবার আসি কিভাবে ব্যাকাপ করা ফাইলটা রিস্টোর করবো।
রিস্টোর দুই ভাবে করা যায়।
১/ সরাসরি উইন্ডোজে থেকে।
২/ বুটেবল সিডি দিয়ে।

উইন্ডোজ থেকে যেভাবে রিস্টোর করা হয়, সেটা নিয়ে বলছি।
সেইভ করা ব্যাকাপ ফাইলটাতে রাইট ক্লিক করুন,
নিচের ছবির মত অপশন পাবেন।


Recover এ ক্লিক করুন। Acronis True Image Home অটোম্যাটিক রান হবে। এই অপশনটি আপনি Start Menu থেকে Acronis True Image Home রান করেও পেতে পারেন।
যেমন নিচের ছবি গুলো লক্ষ করুন।






যাই হোক, এবার যে অপশনটি আসবে তাতে কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই।


Next এ এসে এবার শুধু C ড্রাইভটা সিলেক্ট করে দিন।


Next এ যান এবং এবারের Step এ উইন্ডোজকে যদি আগের ড্রাইভের রাখতে চান তাহলে কোন কিছু পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই্।



Next এ যান এবং প্রসিড এ ক্লিক করুন।



কিছুক্ষনের মধ্যেই রিস্টোর শুরু হবে এবং আপনার পিসি রিস্টার্ট হবে।

রিস্টোর করতে ৫ থেকে ১০ মিনিট লাগতে পারে। সময় নির্ভর করবে আপনার পিসির গতি ও ফাইল সাইজের উপর। প্রসেস সফল হলে মেসেজ পাবেন এবং এক্রোনিস ক্লোজ করে দিন।

পিসি রিস্টার্ট হবে।

২/ এবার আসি যেভাবে Bootable CD দিয়ে রিস্টোর করা হয়।

প্রথমে আপনাকে মাদারবোর্ডের BIOS এ গিয়ে বুট সিলেক্ট করে দিতে হবে CD/DVD ROM কে।
এর পর Acronis এর বুটেবল সিডিটি সিডি ড্রাইভে প্রবেশ করিয়ে পিসি Start করুন। আপনার BIOS First Boot হিসেবে সিডি সার্চ করবে এবং Acronis রান হবে। এবার দুটি অপশন থেকে আপনি Acronis True Image 2009 সিলেক্ট করুন।
পরবর্তি Step গুলো উইন্ডোজ থেকে রিস্ট্রোর করার মতই। সুতরাং সেটা ফলো করুন।

রিস্টোর শেষে Success মেসেজ আসলে ওকে দিয়ে ক্লোজ করুন। এবার উইন্ডোজ রিস্টার্ট হবে। যেহেতো বুটেবল সিডিটি এখনোও আপনার সিডি ড্রাইভে আছে, সেহেতো আবার সেই দুটি অপশন আসবে। আপনি এবার উইন্ডোজ সিলেক্ট করুন। ঠিক মত রিস্টোর হলে উইন্ডোজ রান হবে।

পরে BIOS এ গিয়ে বুট চেঞ্জ করে নিবেন। ব্যাস এই টুকুই। এই সফটয়্যানে আরো অনেক চমৎকার কিছু ফিচার আছে, যে গুলো নিজে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
»» Read more