খুশকি মুক্ত চুল পেতে যা করণীয়!

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। প্রথমেই একটু বক বক করে নেই। নয়তো আবার পরে আফসোস করবো এই বলে যে, আহারে! সবাইকে তো টিপস শেয়ার করলাম কিন্তু মনের কথাটা মনেই থেকে গেল? তাহলে ব্লগইন করে মজাটাই বা কি হলো বলুন? তো আজ আমার শরীরটা বেশ ভালো তবে মনটা একটু খারাপ! কেন জানেন?...    তারিখঃ ০৭/০৪/২০১২  |  সবটুকু পড়ুন »
Showing posts with label News. Show all posts
Showing posts with label News. Show all posts

Sunday, August 5, 2012

বানানো হলো সত্যি 'রোবোকপ'!


undefinedজাপানি বিজ্ঞানীদের তৈরি রোবট ‘কুরাতাস’-এর বদৌলতে এবার কল্পবিজ্ঞানের দুনিয়া ছেড়ে বাস্তব পৃথিবীতে পা রাখছে ‘রোবোকপ’। চার মিটার লম্বা কুরাতাসের রয়েছে একটি মেশিনগান, যা প্রতি সেকেন্ডে ১শ’ রাউন্ড গুলি ছুঁড়তে পারে। খবর দি গার্ডিয়ান-এর।

টোকিওর ওয়ান্ডার ফেস্টিভালে প্রথমবারের মতো কুরাতাস দেখান নির্মাতারা। লম্বায় চার মিটার বা ১৩ ফিট উঁচু রোবটির ওজন সাড়ে চার টন। আর প্রতি মিনিটে ছয় হাজার এয়ারগানের গুলি ছোঁড়ার ক্ষমতা রাখে রোবটটি। নির্মাতারা কুরাতাস-এর দাম হেঁকেছেন ১০ কোটি ইয়েন।

দানবীয় রোবটটি চালানো যায় এটির ককপিটে বসে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, চাইলে থ্রিজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্মার্টফোন দিয়েও রোবটটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন এর চালক। আর রোবটটির সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ৬ দশমিক ২ মাইল।

কুরাতাস রোবটটি চলে ডিজেল ইঞ্জিনে। তবে নির্মাতারা বলছেন, মেশিনগানের উপস্থিতির কারণে রোবটটি ‘ভবিষ্যতের ওয়ারমেশিন’-এর ইমেজ তৈরি করলেও শান্তিপূর্ণ কাজেও ব্যবহার করা সম্ভব রোবটটি। প্রয়োজনে দমকলকর্মী থেকে শুরু করে ঝাড়ুদাড়ের কাজও করতে পারবে কুরাতাস।

সূত্রঃ বিডি নিউজ টোয়েন্টি ফোর
»» Read more

Saturday, August 4, 2012

নতুন আবিস্কারঃ ঘুমের মধ্যে স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ

ঘুমের সময় মানুষ বহু ধরনের স্বপ্ন দেখে থাকে। স্বপ্নে খারাপ কিছু দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। তাই স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করার নতুন এক প্রযুক্তির উদ্ভব হয়েছে। প্রযুক্তিটির নাম রিমি ঘুমের মুখোশ (স্লিপিং মাস্ক)। ঘুমের সময় এটির ব্যবহার মানুষের কল্পনাগুলো নির্মল রাখবে, মানসিক সুস্থতা এনে দেবে। মানুষের ইতিবাচক সব ভাবনা ঘুমের সময় স্বপ্ন হয়ে ধরা দেবে। নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ৩০ বছর বয়সী তরুণ দুই বিজ্ঞানী মুখোশটি তৈরি করেন। এটি তৈরি করতে ডুকান ফ্রেজার ও স্টেভ মেকগুইনের এক বছর সময় ব্যয় করতে হয়। তারা দু’জনে লক হ্যাভেন ও অ্যারিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে ধারণা নিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে তারা মুখোশ তৈরির কাজে হাত দেন। যুক্তরাষ্ট্রের কিকস্ট্যারটার নামক ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠান জনগণের কাছ থেকে ফান্ড সংগ্রহ করে রিমি মুখোশ উদ্ভাবনে ফ্রেজার ও মেকগুইনকে সহায়তা করেন। মুখোশটি তৈরি করতে নিউইয়র্ক সিটির ৬৫৫০ লোক প্রায় ছয় লাখ ডলার অর্থ সাহায্য দেয়। জানা যায়, মুখোশটিতে র্যাপিড আই মুভমেন্ট নামক এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ঘুমের সময় মস্তিষ্ককে সচেতন রাখে। ফলে মানুষ তার স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।


undefined


মুখোশটির অভ্যন্তরে ছয়টি ছোট লাইট ব্যাবহার করা হয়েছে। লাইটগুলোতে কিছু প্রোগ্রাম দেওয়া আছে। স্লিপউইথরিম নামের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রোগ্রামগুলো পরিচালিত হয়। ব্যবহারকারী ঘুমের আগে বাটন টিপে লাইট সচল করে দিলে প্রত্যাশিত ভাবনাগুলো স্বপ্নে এসে ধরা দেবে। ফ্রেজার ও মেকগুইন জানান, মুখোশ ব্যবহারে স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা হবে না। তা ছাড়া ব্যবহারকারীরা আজ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করেননি। নতুন এই প্রযুক্তির সফল উদ্ভাবনের জন্য বিজ্ঞানীদ্বয়কে ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠান পাঁচ লাখ ডলার দিয়েছে। বাজারে পাঁচ রংয়ের রিমি মুখোশ পাওয়া যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া, ইতালি ও স্পেনের শৌখিন লোকজনের কাছে ইতোমধ্যে এর চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্রঃ দ্য বেঙ্গলি টাইমস
»» Read more

Tuesday, July 31, 2012

বৃহস্পতিবার ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে বাংলাদেশ

ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবার খবর নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। মঙ্গলবার, না বৃহস্পতিবার ইন্টারনেট সংযোগে বিঘ্ন ঘটবে তা নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রথম প্রহরেই ইন্টারনেট সংযোগ বিড়ম্বনায় পড়তে পারেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। সাবমেরিন কেবল ১.১ সিগমেন্টে মানোন্নয়নের কাজের কারণে ওইদিন রাত ১টা থেকে ভোররাত ৫টা পর্যন্ত ফের চার ঘণ্টা ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত থাকবেন নেটিজেনরা। সোমবার ওলো ও সিটিসেল’র পক্ষ থেকে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে গ্রাহকদের জানানো হয় মঙ্গলবার প্রথম প্রহরেই চার ঘণ্টা ইন্টারনেট সংযোগে বিঘ্ন ঘটতে পারে। কিন্তু এ বিষয়ে অন্যান অপারেটররা চুপ থাকায় বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে শুরু হয় বিতর্ক।

পাশাপাশি বিটিসিএল’র পক্ষ থেকে ইন্টারনেট সংযোগ বিঘ্নের কোনো নোটিশ না আসায় এই দিনক্ষণ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন অনেকেই। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানা যায়, সাবমেরিন ক্যাবল লাইনের আপগ্রেড কার্যক্রমের দিন পরিবর্তন করায় এই বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। প্রথমে মঙ্গলবার দিবাগত রাতেই এই কাজ শুরু করা হয়েছিল। তবে পরে দিনটি পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু শেষ খবর পর্যন্ত এই পরিবর্তিত দিনটি সম্পর্কে নতুন কোনো বার্তা না দেয়ায় বিড়ম্বনায় রয়েছেন ওলো ও সিটিসেল জুম ব্যবহারকারীরা। এ বিষয়ে ইন্টারনেট সেবাদাতা সংগঠন ইসপাব’র সহ-সভাপতি সুমন আহমেদ সাবির জানিয়েছেন, নিয়মিত সাবরেমিন কেবল মেরামতের জন্য বৃহস্পতিবার রাত ১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেট সেবা সাময়িক ব্যাহত হবে। তথ্য সূত্র : বার্তা২৪ ডটনেট
»» Read more

Thursday, June 14, 2012

পৃথিবীর ইতিহাসে সর্ববৃহৎ আত্মহত্যার ঘটনা !

জিম জোনস নামক এক কাল্ট গুরু অনৈতিক কাজে ধরা খেয়ে চাপে থাকার সময় ১৯৭৮ সালের ১৮ নভেম্বার তার ভক্তদেরকে আত্মহত্যা করতে ব্রেইনওয়াশ করে। এই ঘটনায় জিম জোনস সহ তার ভক্তরা মিলিয়ে ৯১৮ জন মানুষ এক সাথে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। চিন্তা করেন, কতখানি ব্রেইনওয়াশ করলে এতগুলো মানুষ গুরুর কথা মত আত্মহত্যা করতেও দ্বিধাবোধ করে না। বাংলাদেশেও ব্রেইনওয়াশ করা কাল্ট আছে যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কোয়ান্টাম মেথড মেডিটেশন।

'কাল্ট (Cult)' হচ্ছে ধর্ম সদৃশ ছোট গোষ্ঠি, দল বা সংগঠন যাদের বিশেষ কিছু আচার ব্যাবহার, নিয়ম কানুন, আধ্যাত্মিক আচারপদ্ধতি থাকে যা একজন গুরু তার ভক্তদের নিয়ে গড়ে তোলে।

আসলে, চোর ডাকাত, সন্ত্রাসীরা এই পৃথিবীতে যতখানি ক্ষতি করেছে তার চেয়ে অনেক বেশী ক্ষতি করেছে কাল্ট লীডার এবং তথাকথিত আধা পূর্ণতাপ্রাপ্ত আধ্যাত্মিক গুরুরা। তথাকথিত ভাল কাজের নামে তারা মানুষকে করেছে ব্রেইনওয়াশ এবং হরণ করেছে মানুষের অধিকার।

এইসব ব্রেইনওয়াশ শুরু হয় তথাকথিত কল্যাণের নামে। তারা আপনাকে শেখাবে - টাকা না থাকা, জীবনে কষ্ট করা, যৌনতা থেকে বঞ্চিত থাকা, না খেয়ে থাকা, গুরুর সেবা করা হচ্ছে মুক্তির পথ এবং এভাবে আধ্যাত্মিকতার উচু স্তরে পৌছানো যায়। টাকা-পয়সা হচ্ছে খারাপ। এবং যখন আপনার টাকার প্রতি মোহ থাকবে না, আপনি টাকা ত্যাগ করবেন, তখন এই গুরুরাই আপনার টাকা নেবে, আপনাকে তাদের কাজে লাগাবে। আপনাকে দুনিয়া সম্পর্কে উদাসীন করে দিয়ে তারাই দুনিয়ার ক্ষমতা পাওয়ার জন্য আপনাকে ব্যবহার করবে।





আর যে পথ তারা দেখায় তা অনুসরন করে কখনোই আধ্যাত্মিকতার শীর্ষে পৌছানো যায় না। কারন অর্থ-সম্পদের আকাঙ্ক্ষা, যৌন আকাঙ্ক্ষা, খাবারের আকাঙ্ক্ষা এগুলো আসলে খারাপ না। এগুলো হচ্ছে 'প্রয়োজন' যা আপনার ভিতর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহই দিয়েছেন। স্রষ্টার দেওয়া ডিফল্ট সেটিংস এগুলো পেতে উদবুদ্ধ করে। অন্যদিকে গুরুর নিষেধাজ্ঞা আপনাকে এগুলো থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করে। যখন আপনি এগুলোকে খারাপ মনে করা শুরু করেন তখন আপনার ভিতর শুরু হয় অন্তর্দ্বন্ধ। আপনি স্রষ্টার দেওয়া ডিফল্ট সেটিংস তথা নিজের আকাঙ্ক্ষাগুলোর সাথে যুদ্ধ করতে থাকেন, আপনি নিজের সাথে নিজেই যুদ্ধে লিপ্ত হন। আর নিজের সাথে নিজে যুদ্ধ করার ফলে আপনি হয়ে পড়েন দুর্বল।





এটা সত্য যে আধ্যাত্মিকতার শীর্ষে পৌছলে আপনার জাগতিক আকাঙ্ক্ষা কমে যাবে সয়ংক্রিয় ভাবে। কিন্তু সেই স্তরে পৌছানোর আগেই যদি এগুলোর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন এবং উপেক্ষা করেন তাহলে কখনোই আধ্যাত্মিকতার শীর্ষে পৌছতে পারবেন না। কারন যত আপনি এগুলোর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবেন তত এগুলোর আকাঙ্ক্ষা বাড়তে থাকবে। কারন এগুলো আপনার প্রয়োজন এবং প্রয়োজন না মেটালে আকাঙ্ক্ষা বাড়তে থাকে। এর ফলে আপনি শারীরিক, মানসিক, আত্মিক, আধ্যাত্মিক ভাবে আরো দুর্বল হয়ে পড়বেন। আর ভন্ড গুরুরা তো তা-ই চায়। কারন আপনি দুর্বল হলে আপনাকে তার স্বার্থে ব্যাবহার করা সহজ হবে।

মহামতি বুদ্ধ রাজ প্রাসাদে ছিলেন বলেই তিনি রাজ প্রাসাদের মায়া, ধন-সম্পদের মায়া ত্যাগ করতে পেরেছিলেন। যেহেতু তার এই জিনিস গুলোর প্রাচুর্যতা ছিল তাই এগুলো তার কাছে কোন আহামরি কিছু ছিল না। আর তাই তিনি এগুলোর মায়া ত্যাগ করতে পেরেছিলেন। কিন্তু আমরা যারা এগুলোর প্রাচুর্যতা পাইনি তাদের কাছে এগুলো বিশেষ কিছু। এগুলোকে উপেক্ষা করে আমরা কখনোই এগুলোর আকাঙ্ক্ষা দূর করতে পারব না। এই সত্যটাকে উপেক্ষা করে বলেই অধিকাংশ লোক কখনো আধ্যাত্মিকতার শীর্ষে পৌছতে পারে না এবং ভন্ড গুরুর পা টিপে জীবন কাটিয়ে দেয়..


সুত্রঃ শেয়ার করুন সবার সাথে ( মাছের বাজার )
»» Read more

Saturday, May 26, 2012

ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ ঠেকাতে !

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দেহে কতোগুলো পরিবর্তন আসে। সে পরিবর্তনের কোনো কোনোটা পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় আর কোনো কোনো পরিবর্তন চট করে বোঝা যায় না। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দেহের যে সব অঙ্গের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে তার অন্যতম হলো ত্বক।

ত্বকের উপর বয়সজনিত সব প্রভাবকে হয়ত প্রতিহত করা যাবে না, তবে বয়সজনিত কোনো কোনো প্রভাবকে একটু চেষ্টা করলে এবং সতর্ক হলে অবশ্যই বিলম্বিত করা যাবে। বয়স হলে ত্বকে কেনো পরিবর্তন দেখা দেয় তার কারণ নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মধ্যে মতভেদ আছে। একদল এ জন্য ডিপ্রোগামেটিক থিউরি একটি অনুসিদ্ধান্ত তুলে ধরেন অন্যদিকে অন্যেরা এস্টোকাস্টিক থিউরি নামের অপর এক অনুসিদ্ধান্ত তুলে ধরেন।




প্রথম দল মনে করেন, বয়স হলে ত্বকের পরিবর্তনের ব্যাপারটি পূর্ব নির্ধারিত, দেহের অন্যান্য অঙ্গে যে সব পরিবর্তন ঘটে, দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হতে থাকে। তার এবং পূর্ব নির্ধারিত জেনেটিক কারণে ত্বকে তার প্রভাব পড়ে। অন্যদিকে এস্টোকাষ্টিক থিউরির সমর্থকরা বলেন, পরিবেশ সূর্যালোক, জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন উপদানের প্রভাবে ত্বকে বয়সজনিত প্রভাব সৃষ্টি হয়।

ত্বকের এ ধরনের পরিবর্তনকে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা দু'ভাগে ভাগ করেছেন। একটা হলো নির্ভেজাল বয়সজনিত পরিবর্তন আর অন্যটি হলো সূর্যালোকজনিত ত্বকের পরিবর্তন। তবে নির্ভেজাল বয়সজনিত পরিবর্তন প্রতিরোধ করা যাবে না। এ জাতীয় পরিবর্তন সবার বেলাই ঘটবে। এ জাতীয় পরিবর্তনের ফলে চুলের রং বদলে যায়, ঘন চুল পাতলা হতে থাকে। নখের রংয়ের পরিবর্তন ঘটে। একই সঙ্গে দেহের ঘামের গ্লান্ডসহ আর যেসব গ্ল্যান্ড থাকে তার সবগুলোর সংখ্যা এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।

আমাদের চামড়ায় রোগ প্রতিরোধের জন্য বিশেষ কোষরাজি বা সেল রয়েছে, রংয়ের জন্য বিশেষ কোষরাজি বা সেল রয়েছে, রয়েছে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিশেষ চর্বি বা ফ্যাট আছে রক্তনালী সবগুলোর সংখ্যা কমে যায়। সূর্যালোকে যারা বেশি কাজ করেন বা থাকেন তাদের এ সব পরিবর্তন বেশি হয় কিন্তু যারা সূর্যালোক থেকে দূরে থাকেন তাদের এ জাতীয় পরিবর্তন কম হয়। ত্বকের এ জাতীয় পরিবর্তনের ফলে তার কর্ম দক্ষতা হ্রাস পেতে থাকে। ত্বকের মাধ্যমে দেহের অপ্রয়োজনীয় পর্দাথের নির্গমন বাধাগ্রস্ত হয়, চর্বি হ্রাস পাওয়ার ফলে ত্বকের আঘাত প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

এ ছাড়া এ কারণে কেটে গেলে বা পুড়ে গেলে ভালো হতে সময় নেয়। ত্বকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো তাপ নিয়ন্ত্রণ সে ক্ষমতা হ্রাস পায় বলে অতি গরম বা শীতের কারণে বৃদ্ধরা বেশি প্রাণ হারায় বলে দেখা যায়। সূর্যের আলোয় বেশি থাকার ফলে ত্বকে যে সব ক্ষতি হয় তার মধ্যে দেহের যে সব স্থান সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে সে সব স্থান কালো কালো দাগ হয়। কখনো কখনো সাদা দাগ পড়তে দেখা দেয় বা ভিন্ন কোনো রং দেখা দিতে পারে। ত্বকটা বুড়িয়ে যায়। ত্বকের কোথাও কোথাও আঁচড়ের মতো দাগ দেখা দেয়। ত্বকের নমনীয়তা হ্রাস পায়। ত্বক পাতলা হওয়ার ফলে রক্তনালীগুলো দৃষ্টিগোচর হতে থাকে। যা দেহের সৌন্দর্য হ্রাস করে। কোনো ক্ষেত্রে ব্রণও হয়। রোদে বেশি থাকলে ত্বকে ক্যান্সার সহ নানা রোগ দেখা দিতে পারে।

সূর্যালোকজনিত যে পরিবর্তন তা রোধ করতে হলে অন্যাবশ্যক সূর্যালোকে যাওযা বন্ধ করতে হবে। আর সূর্যের আলোতে যাওয়ার জন্য আমরা সান স্ক্রিন ব্যবহার করি তাহলে এ আলোর ক্ষতিগুলো অনেকটা প্রতিহত করতে পারবো। একই সাথে বয়সজনিত পরিবর্তন প্রতিহত করা যাবে না। তবে ত্বকের এ জাতীয় পরিবর্তন সুষম খাদ্য, ভিটামিন গ্রহণ এবং ত্বকের যত্নের মাধ্যমে বেশ বিলম্বিত করা যেতে পারে।

রেডিনয়েড এসিড জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করে সুফল পাওয়া যেতে পারে। এ জাতীয় উপাদন ত্বককে কর্কশ হওয়া প্রতিরোধ করে। ত্বকের রং পরিবর্তন প্রতিহত করে। ভিটামিন এ জাতীয় খাবার এবং কৃত্রিম ভিটামিস এ বা রেডিনয়েড এসিড গ্রহণ করলে আমরা উপকার পাবো। ল্যাকটিক এসিড এবং আলফা হাইড্র সিয়াসিকও ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। টক জাতীয় খাদ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপাদান পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে আখের রস থেকে গ্লাইকোলিক এসিড নামে একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া যেতে পারে।

ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই ব্যবহার করে দেহের জারণ ক্রিয়ার গতি হ্রাস করা যায়। যা ত্বক নয় দেহের অন্য সব অংশেও সু প্রভাব ফেলবে।
»» Read more

টেলিটকের থ্রিজি প্রযুক্তি - প্রাথমিকভাবে শুরু কেবল ঢাকায় !

আগামী জুলাই মাসে প্রাথমিকভাবে রাজধানীতে তিন লাখের বেশি গ্রাহককে তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রি-জি) মোবাইল ফোন সেবা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব অপারেটর টেলিটক। টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবর রহমান জানান, শুরুতে বিভাগীয় শহরগুলোতে থ্রি-জি সেবা চালুর কথা থাকলেও প্রাথমিকভাবে কেবল রাজধানীতেই এ সেবা উম্মুক্ত করা হবে। “আমরা প্রথমে শুধুমাত্র রাজধানীর গ্রাহকদের জন্য থ্রিজি সিম সরবরাহ করব।” অন্য বিভাগীয় শহরগুলোতে কবে নাগাদ এই সেবা পৌঁছাবে জানতে চাইলে মুজিবর আশা প্রকাশ করেন, অক্টোবরের মধ্যেই হয়তো বিভাগীয় ও বড় শহরগুলোর মানুষ তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সেবা পেয়ে যাবেন।


টেলিটক ঢাকার পরপরই চট্টগ্রামে এই সেবা চালু করবে বলে মুজিবর রহমান জানান। “রাজধানীতে এই সেবা দিতে প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি নেওয়া চলছে। এ কাজ শেষ হওয়া মাত্র আগামী জুলাই মাসে থ্রিজি সিম গ্রাহকদের দেওয়া হবে।” শুরুতে রাজধানীতে তিন থেকে ৫ লাখ গ্রাহককে থ্রিজি সিম দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

এই লক্ষে টেলিটকের নেটওয়ার্ক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে জানিয়ে মুজিবর রহমান বলেন, “শুধু থ্রি-জির জন্য সারা দেশে ৭০০ বিশেষ বিটিএস স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে রাজধানীর বিটিএসগুলো বসানো হয়েছে। এখন সুইচিং এর কাজ চলছে।” বর্তমানে টেলিটকের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ জানিয়ে মুজিবর বলেন, জুলাই মাসের পর এই সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হবে বলে তারা আশা করছেন। “টেলিটক থ্রিজি নিয়ে আসলে আমাদের গ্রাহক সংখ্যাও বাড়তে শুরু করবে।”


থ্রি-জি প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ গতিতে তথ্য পরিবহন সম্ভব বলে মোবাইল ফোনেই টিভি দেখা, জিপিএসের মাধমে পথ নির্দেশনা পাওয়া, উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেওয়া সম্ভব। রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে টেলিটক অন্য অপারেটররা বাজারে আসার আগেই গত মার্চ থেকে পরীক্ষামূলক থ্রি-জি সেবা দেওয়ার অনুমতি পায়। তবে নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়।

এই সেবা চালু করতে এতো বেশি সময় লাগার কারণ জানতে চাইলে মুজিবর বলেন, নতুন এই প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে বেশি সময় লাগছে। থ্রিজি লাইসেন্সের জন্য প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরে থ্রিজি তরঙ্গের (স্পেক্ট্রাম) নিলাম হবে। টেলিটককে এই নিলামে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না হলেও নিলামের সম পরিমাণ টাকা দিয়েই তরঙ্গ নিতে হবে। বর্তমানে টুজি মোবাইল সেবাদানকারী বেসরকারি অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, সিটিসেল, এয়ারটেল ও রবির পাশাপাশি নতুন বিদেশি প্রতিষ্ঠানও থ্রিজি নিলামে অংশ নিতে পারবে।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪
»» Read more

Thursday, May 24, 2012

সবচেয়ে ছোট ইঁদুর !


undefined


সবচেয়ে ছোট ইঁদুরটি দৈর্ঘ্যে মাত্র দুই ইঞ্চি। ক্ষুদ্রাকৃতির হলেও এরা অনেক সাহসী। ফসলের মাঠ চষে বেড়ায় এই ইঁদুর। লম্বা লেজের সাহায্যে খাদ্যশস্য ও ঘাসের ডগায় ঝুল দিয়ে সহজেই চলাচল করে এরা। এদের বড় বড় চোখ থাকলেও চোখে দেখে না বললেই চলে। সাত মিটার দূরের কোনো বস্তুর ঘ্রাণও এরা টের পেয়ে থাকে। এরা প্রায়ই শরীরের পশমগুলো খাড়া করে ধরে। ইউরোপ ও এশিয়া হচ্ছে এই প্রজাতির ইঁদুরের আবাসস্থল। এই জাতীয় একটি প্রাপ্তবয়স্ক ইঁদুর ওজনে চার গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। এরা বীজ, পোকা ও ফল খেয়ে থাকে। শুকনা ঘাস দিয়ে গুছিয়ে বলের মতো করে এরা বাসা বেঁধে থাকে। গবেষকরা জানান, এই জাতীয় ইঁদুর ঘরে প্রবেশ করে না।

সূত্রঃ ডেইলি মেইল।
»» Read more

নারীর স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য রক্ষায় ঘুম !


নির্বিঘ্ন ঘুম সাধারণ মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি নারীদের সৌন্দর্য রক্ষার কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ঘুম আল্লাহ তা‌আলার পক্ষ থেকে অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম। ঘুমের মূর্ল কতখানি তা যিনি অনিদ্রা সমস্যায় ভুগছেন তিনি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারেন। আমাদের উচিত ঘুমকে ডিস্টার্ব না করা।

undefined

আমরা অনেকেই চাই সারাদিনের ক্লান্তি শেষে রাতে একটু ভালো ঘুম হোক। আবার অনেকে ঘুমের জন্য কত না যুদ্ধ করেন। শেষ পর্যন্ত তাদেরকে ঘুমের ওষুধ পর্যন্ত সেবন করতে হয়। অনেক সময় তাতেও কাজ হয় না। ঘুমের জন্য ঘুমের বড়ি খাওয়া কখনই উচিত নয়। চিকিৎসাকালীন কোন কারণে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যদি ঘুমের বড়ি খেতেই হয় তাহলে সে কথা আলাদা।

আমরা ভালো ঘুমের জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে পারি। বিশেষ করে যেসব মেয়েরা সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য সচেতন তাদের কোনভাবেই ঘুমকে অবহেলা করা উচিত নয়। ঘুমের কমতির কারণে মেয়েদের চোখের নিচে কালো দাগ, মুখে ব্রণ ও অন্যান্য সৌন্দর্যহানির মতো বিব্রতকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়। ভালো ঘুমের জন্য যা জানা দরকার তা হলো—
— নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, যাতে শরীরে অবসাদ না পেয়ে বসে।
— সন্ধ্যা ৭টার পর কফি বা ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার ও পানীয় থেকে বিরত থাকুন।
— ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে থেকে কোনো চিন্তার কাজ করবেন না। টোটাল রিল্যাক্সড মুডে থাকবেন।
— ঘুমানোর ঘরটি হতে হবে একেবারেই কোলাহলমুক্ত।
— যদি ঘুম আসতে বিলম্ব হয় তবে খানিকটা লম্বা শ্বাস নিন।
— সম্ভব হলে ১ গ্লাস হালকা গরম দুধ পান করুন।
— এসব করেও যদি ঘুম না আসে তখন চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন, একজন বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৬-৭ ঘন্টা ঘুমানো জরুরী। সবার জন্য শুভ কামনা রইল।
»» Read more

টোকিও : স্কাই ট্রি

undefined


আরও একবার নিজেদের প্রযুক্তি আর শক্তির দাপট দেখালো জাপান। দেশের মাটিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টাওয়ার ‘দি টোকিও স্কাই ট্রি’ উন্মুক্ত করা সম্মনের দিক থেকে এগিয়ে গেল তারা । সকালে ফিতা কেটে ৬৩৪ মিটার উচ্চু ‘দি টোকিও স্কাই ট্রি টাওয়ারের’ শুভ উদ্বোধন করেন জাপানের টোবু রেলওয়ের কোম্পানি প্রেসিডেন্ট। এ সময়, বেজে ওঠে জাপানের ঐতিহ্যবাহী ড্রাম। চার’শ ৫০ তলা এই টাওয়ার ঘুরে দেখতে ভীড় জমায় ছোট থেকে বড় সব বয়সী। কর্তৃপক্ষ আশা করছেন, চলতি বছরে তিন কোটিরও বেশি দর্শনার্থী টাওয়ারটি পরিদর্শন করবেন।
»» Read more

বিশ্বের আলোচিত যত গোয়েন্দা সংস্থা - ২য় পর্ব

undefined


যেকোনো দেশের জাতীয় প্রতিরক্ষার অন্যতম কার্যকর হাতিয়ার হলো গোয়েন্দা সংস্থা। ল্যবস্তুকে গুঁড়িয়ে দিতে আগ্রাসী গুপ্তচরবৃত্তি প্রাথমিক অস্ত্র। তবে কোন গোয়েন্দা সংস্থা কী কাজ করছে বা তাদের ভেতরের অবস্থা কেমন, সেটা জানা সহজ নয়। সেরা গোয়েন্দা সংস্থা নির্ধারণ করা আসলেই খুবই কঠিন কাজ। এসব সংস্থার প্রকৃতি এমনই যে তাদের সাফল্য অর্থাৎ বছরের পর বছর তাদের কার্যক্রম লোকচুর অন্তরালেই থাকবে। তাদের ব্যর্থতা কিংবা বিতর্কিত কার্যক্রমই মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এটা একটা ধন্যবাদশূন্য কাজ। তারপরও যতটুকু জানা যায়, তার আলোকে কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার দতা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। তবে বলে নেয়া ভালো, সবটাই অপূর্ণাঙ্গ তথ্যের ভিত্তিতে।
বিএনডি (জার্মানি)
undefined

প্রতিষ্ঠা : ১ এপ্রিল, ১৯৫৬, জনশক্তি : ৬,০৫০। এজেন্সি নির্বাহী : গেহলেন অরগানাইজেশন। প্যারেন্ট এজেন্সি : সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স গ্র“প
জার্মানির বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার নাম বুন্দেসন্যাচরিচটেনডিয়েনস্ট। একে নিয়ন্ত্রণ করে চ্যান্সেলরের অফিস। বিদেশে জার্মান স্বার্থের প্রতি হুমকির ব্যাপারে তারা সরকারকে আগাম সতর্ক করার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। টেলিফোনে আড়িপাতা ও ইলেকট্রনিক পর্যবেণের মাধ্যমে তারা কাজ করে। তারা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, ডব্লিউএমডি বিস্তার, প্রযুক্তির সব ধরনের অবৈধ হস্তান্তর, সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধ, অস্ত্র ও মাদক পাচার, মানি লন্ডারিং, অবৈধ অভিবাসন ও তথ্য যুদ্ধের মতো বিভিন্ন েেত্র কাজ করে। তারা বৈদেশিক গুপ্তচরবৃত্তিতে জার্মানির একমাত্র গোয়েন্দা সংস্থা হওয়ায় সামরিক ও বেসামরিক উভয় ধরনের গুপ্তচরবৃত্তিতেই নিয়োজিত থাকে।
জার্মানির নামী সংবাদ সাময়িকী Der Spiegel জানায় যে, পত্রিকাটির সাংবাদিকদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করে সাংবাদিকরা- যাঁদেরকে রিক্রুট করে জার্মনির ফেডারেল গুপ্তচর সংস্থা- BND ৷ খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর জার্মানিতে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয় ৷ কিন্তু তা সত্বেও বার্লিন সরকার সংস্থার বর্তমান প্রধান

Ernst Uhrlau এবং তাঁর পূর্বসূরী আগুস্ট হানিং এর প্রতি আস্থা প্রকাশ করে৷
জার্মান সরকারের সহকারী মুখপাত্র টমাস শ্টেগ গতকাল বার্লিনে বলেন, উরলাউ এবং বর্তমান স্বরাষ্ট্র-সচিব হানিং এর ওপর রয়েছে সরকারের পূর্ণ আস্থা৷ তবে এই ঘটনার ওপর গোপন রিপোর্ট প্রকাশের পরিকল্পনাটি সমালোচিত হচ্ছে৷ সন্ত্রাসবাদ বিরোধী লড়াই এ গুপ্তচর সংস্থার তত্ পরতা বিষয়ক মধ্যস্থতা কমিটির চেয়ারম্যান জিগফ্রিড কাউডার সাবধান করে দিয়ে বলেন, এতে বিএনডি এর ক্ষতি হতে পারে৷
জার্মানির কোয়ালিশন সরকারের ক্ষুদ্র শরীক দল সিএসইউ এর হান্স-পেটার উল বলেন, সংস্থা যদি সহ-সাংবাদিকদের ওপর গুপ্তচর-বৃত্তি চালানোর জন্য সাংবাদিক রিক্রুট করে থাকে তাহলে তা হল আইন বিরোধী এবং সংবিধান পরিপন্থী৷ তিনি এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান৷ সবুজ দলের হান্স-ক্রিশ্চিয়ান শ্ট্রবেলেও ঘটনাটি সঠিকরূপে পরীক্ষা করার আহ্বান জানান৷
সংবাদ সাময়িকী Der Spiegel লিখেছে, একাধিক যুদ্ধাঞ্চলে কাজ করেছে এমন একজন ফ্রিলান্স সাংবাদিক বিএনডিকে তথ্য সরবরাহ করেছে আর একটি সংবাদ সাময়িকী ফোকুস এর সাংবাদিকদের সম্পর্কে৷
এদিকে, জার্মানির বৈদেশিক গুপ্তচর সংস্থা- বিএনডি স্বীকার করেছে যে, তারা ভুল করেছে৷ এতে পরোক্ষভাবে এটাই প্রমাণিত হল যে, সংস্থাটি জার্মান সাংবাদিকদের ওপর গোয়েন্দাগিরি করেছে সহ-সাংবাদিক রিক্রুটের মাধ্যমে৷ বিএনডি এর সাবেক প্রধান ফল্কার ফ্যোর্টশও স্বীকার করেছেন যে, মাঝে মাঝে সাংবাদিকদের ব্যবহার করা হয়েছে ইনফর্মার হিসেবে৷
জার্মানির কিছু প্রভাবশালী পত্রিকার সাংবাদিকরাও স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা বিএনডি এর জন্য কাজ করেছেন এবং তথ্য পাচার করেছেন অন্যান্য পত্রিকার সাংবাদিকদের সম্পর্কে৷
সাংবাদিকদের গুপ্তচর বৃত্তির কাজে লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা জার্মানিতে রাজনৈতিক আলোড়ন তুলেছে৷ স্পর্শকাতর এই ঘটনাটি হল জার্মানির যুদ্ধোত্তর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার অথবা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার লংঘন৷

ডিজিএসই (ফ্রান্স)
প্রতিষ্ঠা : ২ এপ্রিল, ১৯৮২, পূর্ববর্তী সংস্থা : বৈদেশিক তথ্য সংগ্রহ এবং গুপ্তচরবৃত্তি চালানো, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী : গেরাল্ড ল্যাঙ্গুয়েট, প্রতিরা মন্ত্রণালয়
এজেন্সি নির্বাহী : ইরার্ড করবিন ডি ম্যানগ্রক্স, পরিচালক
ফ্রান্সের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার নাম ডাইরেক্টরেট জেনারেল ফর এক্সটারনাল সিকিউরিটি (ডিজিএসই)। সংস্থাটি ফ্রান্সের প্রতিরা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বিদেশে গুপ্তচরবৃত্তি ও জাতীয় নিরাপত্তা, বিশেষ করে আধা সামরিক ও প্রতিপরে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তারা ডিসিআরআইয়ের (দ্য সেন্ট্রাল ডাইরেক্টরেট অব ইন্টেরিয়র ইন্টেলিজেন্স) পাশাপাশি কাজ করে। ইউরোপের অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার তুলনায় ফ্রান্সের ডিজিএসইর ইতিহাস অনেক সংপ্তি। দেশটির কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা সদস্যদের নিয়ে ১৯৮২ সালে এটি গঠিত হয়। দেশের সামরিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে বিদেশী সূত্র থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহই তাদের প্রধান কাজ। সংস্থাটিতে পাঁচ হাজারের বেশি লোক কাজ করে।
আরএডব্লিউ (ভারত)
প্রতিষ্ঠা : ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৮
সদর দফতর : নয়াদিল্লি, ভারত
এজেন্সি নির্বাহী : সঞ্জীব ত্রিপাঠি, সচিব
প্যারেন্ট এজেন্সি : প্রধানমন্ত্রীর দফতর।
ভারতের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার নাম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র)। স্বাধীনতার অল্প পরেই ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধ এবং ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রোপটে ১৯৬৮ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি গঠন করা হয়। ওই দু’টি যুদ্ধেই প্রমাণিত হয় যে, দেশটির নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যে মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। সংস্থাটির প্রধান কাজ হলো বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং গোপন অভিযান পরিচালনা। এ ছাড়া ভারতীয় পররাষ্ট্র নীতিনির্ধারকদের পরামর্শ দিতে বিদেশী সরকার, সংস্থা ও ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণও তাদের দায়িত্ব। র সৃষ্টির আগে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) একাই অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক গুপ্তচরবৃত্তির কাজটি করত।
এএসআইএস (অস্ট্রেলিয়া)
প্রতিষ্ঠা : ১৩ মে, ১৯৫২, সদর দফতর : ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া, বার্ষিক বাজেট : ১৬২.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (২০০৭), দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী : স্টিফেন স্মিথ এমপি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, এজেন্সি নির্বাহী : নিক ওয়ার্নার, মহাপরিচালক।
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার নাম অস্ট্রেলিয়ান সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস। এই সংস্থার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে বৈদেশিক গুপ্তচরবৃত্তি, প্রতিপরে গুপ্তচরবৃত্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখা এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সহযোগিতা করা। এর মূল কাজ প্রধানত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় গুপ্তচরবৃত্তি চালানো। বিশাল এলাকাজুড়ে তাদের এজেন্ট রয়েছে।

পাকিস্তান ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স_সংক্ষেপে আইএসআই।
পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা। উপমহাদেশের অঘটনঘটনপটীয়সী হিসেবে পাকিস্তানে নন্দিত এবং বহির্বিশ্বে নিন্দিত। অনেক ষড়যন্ত্র-দুর্ঘটনার কথা উঠলেই তর্জনী সংকেত নির্দেশ করে এ সংস্থাকে। পরিবারের অবাধ্য সদস্যের মতো। পরিবারের মধ্যে অবস্থান করে এবং পরিবারে খেয়েও পরিবারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে, অন্য সদস্যদের হত্যা করে। বহির্দেশের কথা তো ভিন্ন। উপমহাদেশের কূটিল ষড়যন্ত্র, ক্যু, গুপ্তহত্যা, জঙ্গি তৎপরতার পৃষ্ঠপোষক ও সহায়ক আইএসআই। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি হত্যা-নির্যাতন, মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিবেশে গুপ্তচর অনুপ্রবেশ করানো, ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অস্ত্র প্রেরণ, কাশ্মীরী যোদ্ধাদের সক্রিয় সহায়তা দেওয়া, বাংলাদেশে 'মুসলিম বাংলা' ব্লুপ্রিন্টের প্রণেতা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালনকারী, বাংলাদেশে ক্যু-বেআইনি শাসন প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় সহায়তা দেওয়া, বাংলাদেশে জঙ্গি অর্থায়ন-প্রশিক্ষণ, আফগানিস্তানে আল-কায়েদা শাসন প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় সহায়তা দেওয়া, বাংলাদেশে জঙ্গি অর্থায়ন-প্রশিক্ষণ, আফগানিস্তানে আল-কায়েদা শাসন প্রতিষ্ঠা ও প্রতিপালন, খোদ পাকিস্তানে সামরিক শাসন ও জঙ্গি তৎপরতার মদদদাতা এই আইএসআই। সম্প্রতি খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ভাষ্যে এখনো আল-কায়েদার সঙ্গে সংযোগ রক্ষা এবং লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার কথা উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রেও এ চরিত্রের একটি গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে। সিআইএ নামের সংস্থাটি বিশ্বে বহুল সমালোচিত। ১৮ বার ফিদেল কাস্ত্রোর প্রাণনাশের চেষ্টাসহ বহু রাষ্ট্রনায়ক হত্যায় সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ রয়েছে সিআইএর বিরুদ্ধে। সিআইএর কয়েকজন সাবেক অধিনায়ক এসব কথা বলেছেন।
অতিসম্প্রতি বিশ্বসংস্থা জাতিসংঘ বেনজির হত্যাকাণ্ড বিষয়ে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে রাখঢাক না করেই বলা হয়েছে, বেনজির হত্যার বিষয়টি পাকিস্তানের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের জানা ছিল। ফলে সেনা, পুলিশ, গোয়েন্দা_সবাই দূরে দূরে সরে ছিল। দায়িত্ব পালন করেনি। দায়িত্ব পালনের চেষ্টাও করেনি। নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করলে হত্যাক্যাণ্ড এড়ানো সম্ভব ছিল বলেও মন্তব্য করা হয়েছে প্রতিবেদনে। একই কারণে অর্থাৎ সরকারি সংশ্লিষ্টতার জন্য তদন্তে অগ্রগতি হয়নি। বিশ্লেষণ করলে অর্থ দাঁড়ায়, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল মোশাররফ বেনজিরের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তাঁকে হত্যা করিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র কার্যকর করার দায়িত্বে থাকে গোয়েন্দা সংস্থা। এ ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবেই আইএসআই। রাষ্ট্রের অবাধ্য এ সংস্থার ওপর বৈধ সরকারের তেমন নিয়ন্ত্রণ নেই। কারণ, সংস্থার মধ্যে ষড়যন্ত্রের এজেন্টরা অর্থ-প্রতিপত্তির বিনিময়ে এমনভাবে প্রবিষ্ট থাকে যে তাদের শনাক্ত করা কষ্টকর। বহিষ্কার করা আরো দুষ্কর। কার্যত এরাই সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে।
মজার ব্যাপার হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বসংস্থা আজ এসব কথা উচ্চারণ করলেও, আইএসআইর দৈত্যরূপ গ্রহণের অর্থদাতা, প্রশিক্ষণদাতা ও সহায়ক শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ। আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীকে পর্যুদস্ত করার জন্য আইএসআইকে সম্পূর্ণভাবেই ব্যবহার করেছে সিআইএ। পাকিস্তানের আঞ্চলিক দানব হিসেবে সজ্জিত করেছে সিআইএকে। মানব থেকে দানবে রূপান্তর সম্ভব হলেও, দানব থেকে মানবে রূপান্তর সম্ভব নয়। তাই আইএসআই দানবই রয়ে গেছে। বিপুল হিংস্র ক্ষুধার তাড়নায় খোদ পাকিস্তানকেই খেয়ে ফেলতে উদ্যত। এ দানবের প্রতিটি লোমকূপ থেকে জঙ্গির জন্ম। জঙ্গি আক্রমণে পাকিস্তান আজ বিধ্বস্ত। এমন একটি দিনও যায় না, যেদিন পাকিস্তানের কোনো না কোনো স্থানে জঙ্গি হামলা বা গুলি-বিস্ফোরণে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি না ঘটে।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও আক্রান্ত হচ্ছে জঙ্গিদের দ্বারা। শর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে ভূত তাড়াবে কে? যুক্তরাষ্ট্রের বোধোদয় ঘটেছে টুইন টাওয়ার বিধ্বস্ত হওয়ার পর। এখন জঙ্গিরোধে তারা আফগানিস্তানে হাজির। পাকিস্তানেও হাজির। যুক্তরাষ্ট্র হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে, ফ্রাঙ্কেনস্টাইন বানানো কঠিন কিছু নয়_কিন্তু বশে আনা, বশে রাখা ও নিয়ন্ত্রণ করা অসাধ্য কাজ। ধ্বংস করাও দুঃসাধ্য। এ জন্যই বাঙালি মনীষীরা বলেছেন, 'ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের অপকর্মের জন্য আরো কতকাল এবং কত বেশি খেসারত দিতে হবে, তা ভুক্তভোগী বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করতে থাকবে। আইএসআইকে বশে আনার অনেক চেষ্টাই পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক সরকার করেছে এবং করছে। এসব পদক্ষেপের মধ্যে ছিল : (ক) প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা, (খ) সেনাবাহিনীর মধ্যে গোয়েন্দাগিরির কাজকেই তাদের মুখ্য কাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, (গ) কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স জোরদার করা, (ঘ) আইএসআইর ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব পরিবর্তন করে, অভ্যন্তরীণ সংস্কার আনা। কিন্তু পদক্ষেপগুলো কতটুকু ফলপ্রসূ হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। সেই সঙ্গে সিআইএ তাদের ছত্রছায়া অনেকটাই তুলে নিয়েছে জঙ্গি তৎপরতার কর্মে। তার পরও মার্কিন কর্তৃপক্ষের প্রকাশ্য ধারণা, আইএসআই এখনো জঙ্গি মদদদাতার ভূমিকা থেকে মুক্ত নয়।
»» Read more

বিশ্বের আলোচিত যত গোয়েন্দা সংস্থা - ১ম পর্ব

undefined



গোয়েন্দা সংস্থার ইংরেজি নাম হলো intelligence agency। এটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশেষায়িত সরকারি সংস্থা। এটি আইন প্রয়োগ, জাতীয় নিরাপত্তা সংরক্ষণ, সামরিক প্রতিরোধে ও বৈদেশিক নীতি প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করে। আর সে জন্য দরকারি বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ, গবেষণা ও প্রয়োগ করে। সরাসরি কিংবা গোপনীয় অথবা নানা উপায়ে এরা তথ্যাদি সংগ্রহ করে থাকে। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতি সংশ্লিষ্ট গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক তথ্যাদি সংগ্রহে নিযুক্ত থাকে। কিছু কিছু গোয়েন্দা সংস্থা গুপ্তহত্যা, সামরিক অভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। প্রতিটি দেশের জন্যই গোয়েন্দা সংস্থা এক বড় অস্ত্র। কোন গোয়েন্দা সংস্থা কেমন বা কার কাজ কি তা জানা অনেক কষ্টের। আর তাই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর র্যাংকিং করাও সহজ নয়। তারপরও বছরের পর বছর আলোচনা-সমালোচনা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে আলোচিত গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কথা তুলে ধরা হলো এখানে। বিস্তারিত লিখেছেন- রণক ইকরাম



মোসাদ, ইসরায়েল

মোসাদকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ ও দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা। ১৩ ডিসেম্বর ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ইংরেজি নাম হচ্ছে (Institute for Intelligence and Special Operations)। বিশ্বজুড়ে 'মোসাদ'কে ঘিরে সবচেয়ে বেশি রহস্যজনক ও চাঞ্চল্যকর গল্প চালু আছে। হিটলারের নাৎসি বাহিনীর হাতে প্রায় ৬০ লাখ ইহুদির মৃত্যুর পর বিশ্বের ইহুদি সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্নের প্রকল্পে শামিল হয়েছিল। ইহুদি, খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্মের কাছে 'পবিত্র ভূমি' বলে পরিচিত বৃহত্তর প্যালেস্টাইনকেই তারা বেছে নিয়েছিল নতুন এই বাসভূমির জন্য। নাৎসিদের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে ইহুদিদের সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতো। এই জায়নিস্ট আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে শুরু থেকেই আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে নিজেদের টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে আসছে ইসরায়েল। ফলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দূর করতে যে কোনো পদক্ষেপ নিতে শুরু থেকেই প্রস্তুত ইহুদি এই রাষ্ট্র। আর এ কাজে ভয়াবহভাবে ব্যবহৃত হয় ইহুদিদের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। কিন্তু নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করতে ইসরায়েল যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করে এসেছে, তাকে ঘিরে বিতর্কের কোনো শেষ নেই।

ভয়ঙ্কর গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কর্মী সংখ্যা কত তার পরিসংখ্যান কেউ জানে না। তবে ধারণা করা হয় এর কর্মী সংখ্যা কম করে হলেও ১২০০ হবে। এর সদর দফতর ইসরায়েলের তেলআবিবে। সংস্থাটির জবাবদিহিতা দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সংস্থার বর্তমান প্রধান তামির পারদো। মোসাদের প্রধান বিচরণ এলাকা বলতে কিছু নেই। বলা হয়ে থাকে, এদের নেটওয়ার্ক সমগ্র বিশ্বেই বিস্তৃত।

মোসাদের দায়িত্ব এতটাই বিশাল যে, সম্পূর্ণ বর্ণনা কঠিন। সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনের নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ। মোসাদের এই কাজের বাজেটও কারও জানা নেই।

মোসাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এমএসএস, এফএসবি, এমআইএসআইআরআই, হিজবুল্লাহ, হামাস।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের বিখ্যাত অপারেশনগুলো হচ্ছে আর্জেন্টিনায় আইখম্যান হান্ট ১৯৬০, হেবাররত চুকারস হত্যা ১৯৬৫, অপারেশন ডায়মন্ড ১৯৬৩-৬৬, ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ, অপারেশন জেরাল্ড বুল কিলিং ১৯৯০, আতেফ বেইসো হত্যা ১৯৯২, মোহাম্মদ আল মাবহু হত্যা, ২০১০। মোসাদের মোটো হচ্ছে : Where there is no guidance, a nation falls, but in an abundance of counselors there is safety.



এমআই সিক্স, যুক্তরাজ্য

সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এমআই৬ যুক্তরাজ্য সরকার তথা ব্রিটিশ গভর্নমেন্টের বৈদেশিক গুপ্তচর বিভাগের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা হিসেবে এমআই৫, সরকারি যোগাযোগের প্রধান দফতর বা জিসিএইচকিউ, প্রতিরক্ষা সংস্থা বা ডিআইয়ের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে। যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি বা জিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে থেকে নির্দিষ্ট নির্দেশনার মাধ্যমে কাজ করে সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস।

এটা বার বার এমআই৬ নামে গণমাধ্যমে উল্লেখ হতে থাকে। বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যখন সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস নামটি বহুনামে উল্লেখ হয়, তখন এমআইসিক্স নামকরণটি নিশ্চিত হয়ে যায়।[১] ১৯৯৪ সালের আগ পর্যন্ত এমআই৬ নামটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পায়নি ও স্বীকৃত ছিল না। সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এসআইএস বা এমআই৬ বর্তমানে ব্রিটেনের জাতীয় নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে গুপ্তচরের প্রধান ভূমিকা পালনে সক্ষম।

১৯০৯ সালে উইলিয়াম মেলভিল নামক সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরোর এক কর্মকর্তা সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা।[১] দফতরটি নৌ-সেনা বিভাগ এবং যুদ্ধ অফিসের যৌথ উদ্যোগে গ্রেট ব্রিটেন ও বিদেশের মধ্যে গোয়েন্দা অভিযানের দায়িত্ব নিয়োজিত ছিল। এটি বিশেষ করে জার্মান সাম্রাজ্যের কার্যকলাপের ওপরই সবিশেষ মনোযোগ দিয়েছিল। ব্যুরো বা দফতরটি নৌ এবং সেনা- এ দুই বিভাগে বিভাজন করা হয়েছিল। এগুলো হলো : বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তি এবং অভ্যন্তরীণ গুপ্তচরবৃত্তি। এই বিভাজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল নৌ-সেনা বিভাগ। তারা জার্মান সাম্রাজ্যের নৌবাহিনীর সামরিক শক্তিমত্তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহী ছিল। এই বিশেষায়ন ১৯৪১ সালের আগেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল।

যখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়, দুটি শাখাই প্রশাসনিকভাবে রূপান্তরিত হয়ে ডাইরেক্টরেট অব মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স সেকশন ৬ (এমআইসিক্স) হয়ে যায়। এ নামই বর্তমানকালে সাধারণ নাম হয়ে এমআই ৬ হিসেবে সর্বসাধারণ্যে পরিচিতি পেয়ে আসছে। সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস সংস্থাটির ভবনের অঙ্গসজ্জা জেমস বন্ড চলচ্চিত্রের গোল্ডেনআই, দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ নট এনাফ এবং ডাই এনোদার ডে ছবিতে দেখানো হয়েছে। এমআইসিক্স প্রথমবারের মতো ভবনের অঙ্গসজ্জা জেমস বন্ড সিরিজের 'দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ নট এনাফ' চলচ্চিত্রে প্রদর্শনের অনুমতি প্রদান করে। ওই চলচ্চিত্রে ভবনের অভ্যন্তরে ব্রিফকেস পরিপূর্ণ টাকায় বিস্ফোরণ ঘটানোর দৃশ্য ধারণ করা হয়।

এমআই সিঙ্ গঠিত হয় ১৯০৯ সালে সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরো নামে। এর সদর দফতর : ভাউঙ্ হলো ক্রস, লন্ডন-এ। এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হচ্ছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগ। আর সংস্থা প্রধান : স্যার জন সারোয়ার্স। এটির মূল দায়িত্ব হচ্ছে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, বন্ধুভাবাপন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, দেশ ও মিত্রদের অর্থনৈতিক ও সামরিক স্বার্থ রক্ষায় গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা। এমআই৬ এর বিখ্যাত এজেন্ট জেমস বন্ড। আর এর বিখ্যাত অপারেশন অপারেশন কাপকেক।



সিআইএ, যুক্তরাষ্ট্র

সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ইংরেজি : Central Intelligence Agency) (CIA), যা সিআইএ নামেও পরিচিত, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন একটি বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। এটি একটি স্বাধীন সংস্থা, যার দায়িত্ব্ব যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা। দ্বিতীয় বিশ্বযদ্ধকালীন গঠিত অফিস অফ স্ট্র্যাটেজিক সার্ভিসেস (OSS)-এর উত্তরসূরি হিসেবে সিআইএর জন্ম। এর কাজ ছিল যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখা-প্রশাখার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা। ১৯৪৭ সালে অনুমোদিত হওয়া ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা জাতীয় নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে সিআইএ গঠন করা হয়, যাতে বলা হয়, 'এটি কোনো পুলিশ বা আইন রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান নয়, দেশে কিংবা বিদেশে যেখানেই কাজ করুক না কেনো।' সিআইএ'র প্রাথমিক কাজ হচ্ছে বিদেশি সরকার, সংস্থা ও ব্যক্তিদের সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করা এবং তা জাতীয় নীতিনির্ধারকদের কাছে তা সরবরাহ ও পরামর্শ প্রদান করা। সিআইএ এবং এর দায়বদ্ধতা ২০০৪ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। ২০০৪-এর ডিসেম্বরের পূর্বে সিআইএ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান গোযন্দো সংস্থা; এটি শুধু নিজের কর্মকাণ্ডই নয়, বরং অন্য গোয়ন্দো সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ডও দেখাশোনা করত। কিন্তু ২০০৪ সালে অনুমোদিত ইন্টেলিজেন্স রিফর্ম অ্যান্ড টেররিজম প্রিভেনশন অ্যাক্ট, ২০০৪ দ্ব্বারা তা পরিবর্তিত হয়।

সিআইএ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর। এর কর্মীসংখ্যা অজ্ঞাত। তবে অনুমানিক এই সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি হতে পারে। এর সদর দফতর ল্যাংলি, ভার্জিনিয়ার জর্জ বুশ সেন্টার ফর ইন্টেলিজেন্সে। এর জবাবদিহিতা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে। সিআইএ'র বর্তমান সংস্থা প্রধান ডেভিড পেট্রাউস। বর্তমানে সিআইএ'র বেশ কয়েকটি বিভাগ রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে : মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিভাগ MENA, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ OSA, রাশিয়ান ও ইউরোপিয়ান বিভাগ OREA, এশিয়া প্যাসিফিক, লাতিন আমেরিকা ও আফ্রিকা বিভাগ (APLAA)।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ'র কাজের পরিধিও সুবিশাল। সাধারণভাবে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বৈদেশিক নীতিনির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ক্ল্যান্ডেস্টাইন অপারেশন পরিচালনা, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা, বিশ্বের বড় করপোরেশনগুলোর নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ। সিআইএ'র ঘোষিত বাজেটের পরিমাণ ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর প্রধান বিচরণ এলাকা সমগ্র সৌরজগৎ। আর সিআইএ'র প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী : এমএসএস, এফএসবি, আল-কায়েদা। সিআইয়ের বিখ্যাত অপারেশনের মধ্যে রয়েছে বে অব পিগস হামলা, বিন লাদেন হত্যা, অপারেশন ফোনিক্স (ভিয়েতনাম), অপারেশন গ্লাডিও প্রভৃতি।



এমএসএস, চীন

চীনের গোয়েন্দা সংস্থা গওজিয়া অ্যাংকেন বু অথবা মিনিস্ট্রি অব স্টেট সিকিউরিটি। এটি বিশ্বজুড়ে এমএসএস (MSS) নামে পরিচিত। চীনা এমএসএসের অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের অজানা। আর এর কর্মী সংখ্যা পৃথিবীর সব গোয়েন্দা সংস্থার তুলনায় সবচেয়ে বেশি বলে ধারণা করা হয়। ২০০৫ সালে দলত্যাগী দুজন চীনা এজেন্ট থেকে জানা গেছে, শুধু অস্ট্রেলিয়ায়ই এমএসএস'র এক হাজার ইনফর্মার আছে। এমএসএসের সদর দফতর চীনের রাজধানী বেইজিং-এ অবস্থিত। এর জবাবদিহিতা স্টেট কাউন্সিল অব চায়নার কাছে। এমএসএসের সংস্থা প্রধান জেং হুই চ্যাং। তিনি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এমএসএস সর্বমোট ১২টি ব্যুরোতে বিভক্ত। এর মূল দায়িত্ব হচ্ছে বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বর্ডার সার্ভেইল্যান্স, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি, শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, কাউন্টার রেভিউল্যুশনারি কার্যক্রম দমন, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, বিশ্বের বড় করপোরেশনগুলোর নীতিনির্ধারণের চেষ্টা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পিওনাজ।

এমএসএসের প্রধান বিচরণ এলাকা ম্যাকাও, হংকং, তাইওয়ান, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, পশ্চিম ইউরোপ, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকা ও সারা দুনিয়ার চাইনিজ বংশোদ্ভূত জনগণ। এমএসএসের অনেক নামকরা এজেন্ট রয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ল্যারি উ তাইচিন, ক্যাট্রিনা লেউং, পিটার লি, চি মাক, কো সুয়েন মো। ১৯৯৬ সালে এফ-১৫, বি-৫২সহ বহু সামরিক প্রযুক্তি পাচারের অভিযোগে ডং ফ্যাং চ্যু নামে বোয়িং কোম্পানির এক ইঞ্জিনিয়ার ধরা পড়েন। ধারণা করা হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউকে, কানাডা, ইউরোপ, ভারত, জাপানে আন-অফিশিয়াল কাভারে যেমন ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, খেলোয়াড়, ব্যাংকার, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ হিসেবে কমপক্ষে ১২০ জন এমএসএস কর্মী অবস্থান করছেন। এমএসএসের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হয় সারা দুনিয়ার বেশিরভাগ গোয়েন্দা সংস্থাকেই।



এফএসবি, রাশিয়া

এফএসবির মূল নাম ফেডারেলনায়া সুলঝবা বেজপাসনোস্তি রাশিস্কয় ফেডেরাটসি। সংক্ষেপে এটি এফএসবি নামে পরিচিত। এটি স্থাপিত হয় ১৯৯৫ সালের ৩ এপ্রিল। তবে এত অল্প বয়স দিয়ে এফএসবির কার্যকারিতার প্রভাব ও ভয়াবহতার কথা মোটেও অনুমান করা যাবে না। অনুমান করতে হবে এর পূর্বসূরি সংস্থার কথা মাথায় রেখে। রাশিয়ার বর্তমান গোয়েন্দা সংস্থা এফএসবির

পূর্বসূরি ছিল দুনিয়া কাঁপানো গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি। আর কেজিবিরও আগে এর নাম ছিল চেকা। এফএসবির কর্মী সংখ্যা আনুমানিক ৩,৫০,০০০।

এফএসবির সদর দফতর রাশিয়ার মস্কো শহরের ল্যুবিয়াঙ্কা স্কোয়ারে। এর জবাবদিহিতা প্রেসিডেন্ট রাশিয়ান ফেডারেশন।

এফএসবির সংস্থা প্রধান মিখায়েল ফার্দকভ। এফএসবির সাহায্যকারী/সহকারী সংস্থার নাম গ্রু।

এফএসবির মোট ১০টি বিভাগ রয়েছে।

এফএসবির মূল দায়িত্ব বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বর্ডার সার্ভেইল্যান্স, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি, বিদেশি কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি।

এফএসবির নামকরা এজেন্টের নাম আন্না চ্যাপম্যান।
»» Read more

গরমে সুস্থ থাকার উপায় !

গরমে সবাই যেসব সমস্যার সম্মুখীন হন, তার মধ্যে পানি স্বল্পতা (ডিহাইড্রেশন) অন্যতম। এ ছাড়া আমাশয়-জন্ডিসসহ বিভিন্ন ধরনের পেটের অসুখ তো রয়েছেই। এ সময় শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক সবারই প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। দিনে ৬-৮ গ্লাস তো বটেই, এর বেশি হলেও ক্ষতি নেই! তবে এ সময় রাস্তাঘাটের পানীয় এড়িয়ে চলাই মঙ্গল। বাইরে বের হতে একটি ছোট ব্যাগে অবশ্যই পানির বোতল ও ছাতা রাখা জরুরি। ছাতা শুধু বৃষ্টি থেকে বাঁচতেই নয়, সূর্যের প্রখর খরতাপ থেকে ত্বক পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।


আম, কাঁঠাল, বেল, তরমুজ, বাঙ্গি, ডাব এসবই গ্রীষ্মকালীন ফল যা পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি শরীরে খনিজ লবণের অভাবও দূর করে। যেমন বেলে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকায় কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর হয়। প্রতিদিনই খাবারের তালিকায় ভিটামিন সির আধার লেবু যোগ করা উচিত। লেবুর রস ও মধু মেশানো উষ্ণ গরম পানিতে দিন শুরু করলে শরীর সারা দিনই সজীব থাকে। শরীরের অবসন্নতা দূর করতেও লেবুর শরবতের জুড়ি নেই! বীটমূল শরীরে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক ও ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করে। এ ছাড়া বীটমূলে রয়েছে ভিটামিন বি৩, বি৬, সি ও বিটা ক্যারোটিন। ফলের রাজা ‘আম’। অনেকেই মনে করেন আম খেলে পেট গরম হয়। কিন্তু এ ধারণা একদমই ঠিক নয়। ফ্যাটমুক্ত এ আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি ও তন্তু, যা শরীরকে দীর্ঘ সময়ের জন্য তরতাজা রাখতে সক্ষম। ভিটামিন ‘এ’-র আধার আম দিতে পারে জেল্লাদার ত্বক। এ ছাড়া ভিটামিন ‘এ’ একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বককে সময়ের আগেই বুড়িয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়। আমেও রয়েছে শরীরের অতিপ্রয়োজনীয় ভিটামিন সি, যা হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা করে। কাঁচা আমের শরবত খেতে সুস্বাদু, শরীরকে সুস্থ রাখার জন্যও ভালো। তাই যত পারা যায় আম খেলে ভালো। গরমকে প্রতিরোধ করতে ডাবের পানিও মোক্ষম অস্ত্র। প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রলাইটের উত্স এ ডাবের পানি। ডাবের পানি উজ্জ্বল ত্বকের জন্য দরকার। তাই এ গরমে প্রতিদিন ডাবের পানি পান করা উচিত। শসাও গ্রীষ্মের অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি সবজি। ক্যালোরিশূন্য শসা শরীরের ইউরিক এসিড দূর করতে সাহায্য করে। এটি গরমে শরীরে উদ্ভূত নানা প্রদাহ দূর করতে সক্ষম। শসা, গাজর, বীট, লঙ্কা দিয়ে তৈরি সালাদ খেতে কার না ভালো লাগে! গরমে টক দইও খুব ভালো একটি খাবার। টক দই শরীরকে ঠাণ্ডা রাখার এক মোক্ষম উপাদান। এ গরমে কম তেল ও মসলাযুক্ত রান্না খাবার খাওয়া উচিত। এ মৌসুমে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, সজিনা ডাটা, পুঁই শাক, পাট শাকসহ আরও অনেক সবজি পাওয়া যায়। তার মধ্যে লাউ ও সজিনা ডাটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপযোগী দুটি সবজি। সজিনা ডাটা হার্টের জন্য খুবই ভালো। দুপুরের আহারে অবশ্যই অবশ্যই তিতা করলা বা উচ্ছে রাখতে হবে। তিতা শরীরে রোগ প্রতিষেধক হিসেবে তো বটেই, ত্বককে নানান প্রদাহের হাত থেকে বাঁচায়।
»» Read more

পৃথিবীর সবচেয়ে বিপদজনক ব্রীজ সমূহ !

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত কিছু বিপদজনক ব্রিজের ছবি নিয়ে এই ব্লগ।




The Immortal Bridge (China)



প্রাকৃতিক ভাবেই তৈরি এই ব্রিজ। কেউ জানেনা, কবে এর সৃষ্টি। তবে ধারনা করা হয়, শেষ বরফ যুগ হতেই এটি বিদ্যমান।





The Old Bridge of Konitsa (Greece)




১০০ বছরের ও বেশী পুরনো এই ব্রিজ। শীতকালে নদী পানিতে ভরে উঠে। উপরে ডানে একটি ঘণ্টা দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় রা বলে যখন বাতাস এতো জোরে হয় যে ঘণ্টা বেজে উঠে, তখন এই ব্রিজ পার হওয়া খুবই বিপদজনক।





The Carrick-a-Rede Rope Bridge (Ireland)




দড়ির তৈরি এই ব্রিজ টি মেইনল্যান্ড এর সাথে ছোট দ্বীপ Carrick এর সংযোগ ঘটিয়েছে। যখন প্রবল বাতাসে দোলে, তখন এই ব্রিজ পার হওয়া ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে যাদের উচ্চতা ভীতি আছে।





Royal Gorge Bridge (Colorado)

undefined


Arkansas নদীর ৯৫৫ ফুট উপরে এই ব্রিজ। এটি Colorado এর অন্যতম টুরিস্ট আকর্ষণ।




Inca Rope Bridge (Inca Empire, Peru)




ইনকা সভ্যতার সময় বানানো হয় দড়ির এই ব্রিজ টি। তখনকার প্রযুক্তিতে বানানো এই ব্রিজ এখনও যথেষ্ট মজবুত। এই ব্রিজের উপর দিয়ে স্প্যানিয়ার্ড রা ঘোড়া নিয়ে গিয়েছিল।




Pulau Langkawi's Suspended Bridge (Malaysia)




এই ব্রিজের উপর হতে আন্দামান সমুদ্রের খুব সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়। সমুদ্র হতে ৬৮৭ মিটার উপরে এর অবস্থান।




Puente de Ojuela (Mexico)

undefined


Durango, উত্তর মেক্সিকোর খনি এলাকা, যা এখন ভুতের শহর নামে পরিচিত। শহরটির একমাত্র কার্যকর স্থাপত্য এই ব্রিজ টি। বর্তমানে এটিকে কিছুটা সারানো হয়েছে।




Hussaini Hanging Bridge (Pakistan)




উত্তর পাকিস্তানে অবস্থিত এই ব্রিজ টি দেখতে খুব বিপদজনক। অনেক বাসিন্দার পর্বত পার হয়ে রাওয়ালপিন্ডি যেতে এটি ই একমাত্র পথ। তবে দেখতে বিপদজনক হলেও এটি পারাপারের জন্য মোটামুটি নিরাপদ।
»» Read more

ইন্টারনেট এর ইতিহাস !

ইন্টারনেট হলো ইন্টারনেট্ওয়ার্ক (internetwork) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটা বিশেষ গেটওয়ে বা রাউটারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো একে-অপরের সাথে সংযোগ করার মাধ্যমে গঠিত হয়। ইন্টারনেটকে প্রায়ই নেট বলা হয়ে থাকে।

যখন সম্পূর্ণ আইপি নেটওয়ার্কের আন্তর্জাতিক সিস্টেমকে উল্লেখ করা হয় তখন ইন্টারনেট শব্দটিকে একটি নামবাচক বিশেষ্য মনে করা হয়।

ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব দৈনন্দিন বক্তৃতায় প্রায়ই কোন পার্থক্য ছাড়া ব্যবহৃত হয়। যাইহোক, ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব একই নয়। ইন্টারনেটের হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার পরিকাঠামো কম্পিউটারসমূহের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক তথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করে। বিপরীতে, ওয়েব ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদত্ত পরিষেবাগুলির একটি। এটা পরস্পরসংযুক্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য সম্পদ সংগ্রহের, হাইপারলিংক এবং URL-দ্বারা সংযুক্ত।


ইন্টারনেটের ইতিহাসের শুরু হয় ১৯শতকে টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা আবিষ্কারের সময় যদিও এটা বিতর্কিত। আধুনিক ইন্টারনেটের ইতিহাস শুরু হয়েছিল ১৯৫০ - ১৯৬০র দশকে কম্পিউটারের উন্নয়নের সময়। এটা শুরু হয়েছিল মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও টার্মিনালগুলোর পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট যোগাযোগ (point-to-point communication) এর মাধ্যমে, যেটা বেড়ে হয়েছিল কম্পিউটার পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট সংযোগ (point-to-point connection) এবং পরে প্রথমদিকের প্যাকেট সুইচিং গবেষনায়। প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক যেমন অর্পানেট (ARPANET), (মার্ক ১) Mark I, সাইক্লেডস (CYCLADES), মেরিট নেটওয়ার্ক (Merit Network), টাইমনেট (Tymnet), এবং টেলিনেট (Telenet) ইত্যাদির উন্নয়ন হয়েছিল ১৯৬০ এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৭০ দশকের শুরুর দিকে বিভিন্ন ধরনের প্রোটোকল ব্যবহার করে, অর্পানেট এইক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তারা এমন একটি প্রোটোকল তৈরী করে ইন্টারনেট ওয়ার্কিং এর জন্য যাতে একই সঙ্গে দুই-এর অধিক কিন্তু আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক যোগ হতে পারে।




১৯৮২ তে ইন্টারনেট প্রোটোকল সুইস (TCP/IP) কে আদর্শ করা হয় এবং ওয়াল্ড ওয়াইড নেটওয়ার্কের সাথে টিসিপি/আইপির মাধ্যমে আন্তঃসংযুক্ত নেটওয়ার্কগুলোকে বলা হত ইন্টারনেট তার সূচনা করা হয়। অর্পানেট ১৯৮১ সালে ছড়িয়ে পড়ে যখন ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন (NSF) একটি কম্পিউটার সাইন্স নেটওয়ার্কের (CSNET) উন্নয়ন করে এবং আবার ১৯৮৬তে যখন এনএসএফনেট (NSFNET) ইউনাইটেড স্টেটস এর গবেষণা ওশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপার কম্পিউটার সাইটগুলোতে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ দেয়। ১৯৯০ এ অর্পানেটকে কর্মবিরত করা হয়।

বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (internet service providers) বা আইএসপি'র (ISP) উদ্ভব হতে থাকে ১৯৮০র শেষের থেকে ১৯৯০র প্রথম দিকে। ১৯৯৫ এর মধ্যে ইন্টারনেট বানিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হওয়া শুরু করে যখন এনএফএসনেট কর্মবিরত হয় এতে ইন্টারনেট ব্যবহারের শেষ বাধা দূর হয়।

১৯৯০ এর মাঝামাঝি থেকেই সংস্কৃতি এবং বানিজ্যে ব্যপক প্রভাব ফেলে প্রায় ইনস্ট্যান্ট যোগাযোগের কাছাকাছি ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ই-মেইল, লেখা ভিত্তিক ডিসকাসন ফোরাম এবং ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব। গবেষণা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উন্নত নেটওয়ার্কগুলোর ব্যবহার শুরু করে যেমন এনএফএস'র দ্রুতগতির ব্যাকবোন নেটওয়ার্ক সার্ভিস (vBNS) এবং ইন্টারনেট২, বর্ধিত ডেটার আদানপ্রদান গতি বাড়তে লাগল ফাইবার অপটিক এর মাধ্যমে। নেটওয়ার্কগুলো এখন ১-জিবিপিএস ১০-জিবিপিএস(Gbps) বা আরও বেশি গতি নিয়ে বাড়ছে বাণিজ্য, আনন্দমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ দ্বারা তথ্য এবং জ্ঞানের সমুদ্রে ।

ধন্যবাদ।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া।
»» Read more

ডাইনোসর : শ্রেণী বিভাগ ও কিছু ভাবনা !

আজ থেকে ২৩০ মিলিয়ন বছর পূর্বে। ডাইনোসরেরা ট্রায়াসিক যুগের শেষ দিকে, অর্থাৎ প্রায় ২৩ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বসবাস করতে শুরু করে। আর ওদের শাসনকাল চলে ক্রিটেশিয়াস যুগের শেষ পর্যন্ত। অর্থাৎ ওরা পৃথিবী শাসন করেছে প্রায় ১৬ কোটি বছর !

ডাইনোসরের শ্রেণীবিন্যাস
undefined

Saurischia: এসব ডাইনোসরের পশ্চাত ছিল সরীসৃপদের মতো।



Theropods: এটি মাংসভোজি ডাইনোসরের দল।



Sauropods: এরা লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকত। এদের ছিল খুব লম্বা লম্বা গলা।

undefined

Ornithischia: এরা লতাপাতা ভোজি যাদের পাখির মতো ঠোঁট ছিল।

undefined

Armoured dinosaurs: এদের পিঠে ছিল বড় বড় হাড় যা এদেরকে রক্ষা করত।

undefined

Cerapoda :শিংওয়ালা জাতির অন্তর্ভূক্ত।

undefined

Ornithopoda: এরা “duck-billed” ডাইনোসর।

undefined

Pachycephalosauria: এসব ডাইনোসরের মাথা ছিল খুব শক্ত।

''ডাইনোসর'' শব্দটি বলতে “উড়তে অক্ষম। ডাইনোসর-দের বোঝানো হবে এবং “পাখি” শব্দটি “উড়তে সক্ষম ডাইনোসর”-এর প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। উড়তে সক্ষম ডাইনোসর বলতে আর্কিওপটেরিক্স পূর্বপুরুষ থেকে বিবর্তিত এবং আধুনিক পাখিদের সবাইকেই বোঝানো হবে। গুরুত্ব দিয়ে কোন বিষয় উল্লেখ করতে হলে “উড়তে অক্ষম ডাইনোসর” শব্দটিই ব্যবহৃত হবে। আজ থেকে ২৩ কোটি বছর আগে তারা পৃথিবী থেকে বিলপ্তি হয় একটি বার ভেবে দেখেছেন এরা যদি আজ পৃথিবী তে থাকতো তবে কেমন হত ???

undefined

ডিম গুলি এদের কতো বড়ো হতে পারে একটু ভাবুন।

undefined

আচ্ছা, এরা যদি এখন রাজপথ দিয়ে হেটে বেড়াত?

আবার একটু কল্পনা করুন তো এরা যদি আবার এই পৃথিবীতে ফিরে আসে (আল্লাহ্‌ না করুন) তাহলে আমাদের কি হবে ???

এই সকল সৃষ্টিকে যিনি সৃষ্টি করেছিলেন, তিনি মহান আল্লাহ্‌, আবার তিনিই সব কিছু ধংস করে দিয়েছেন।

অনেক এর মতে ডাইনোসর একটি অবাস্তব কাল্পনিক একটি প্রানি , মহান আল্লাহ্‌ চাইলে কি না করতে পারেন ?? যিনি কিনা সারা বিশ্বের সৃষ্টিকর্তা তিনি চাইলে এই পৃথিবীকে ধংস করে দিতে পারে , যেমন ডাইনোসর এর মত বিশাল প্রানি জগতকে আল্লাহ্‌ সৃষ্টি করেছিলেন আবার তিনি ডাইনোসর দের ধংস করে দিয়েছেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া, অন্যান্য সাইট।
»» Read more

Wednesday, May 16, 2012

ডাইনোসরদের আরেকটি জাতের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা !

undefined

চীনে ডাইনোসরদের আরেকটি জাতের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আকারের দিক থেকে এদের টি. রেক্সদের জ্ঞাতি ভাই-ই বলা চলে। মাংসাশী এ প্রজাতিটি উচ্চতায় ১৩ ফুট ও লম্বায় ৩৬ ফুট পর্যন্ত ছিল। ওজন ১২ হাজার পাউন্ড পর্যন্তও হতো।
ডাইনোসরদের নতুন প্রজাতিটির উদ্ভাবক আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ অব ডাবলিনের বিখ্যাত গবেষক ডেভিড হুন। তিনি ও তার দল চীনে এ প্রজাতিটির সন্ধান পান। পরে তিনি আবিষ্কারের বিষয়টি ১৩৫ থেকে ৬৩ মিলিয়ন বছরের আগের সরীসৃপজাতীয় প্রাণী নিয়ে গবেষণাধর্মী জার্নাল ক্রিটাসিয়াস রিসার্সে প্রকাশ করেন। জার্নালে তিনি বলেন, ডাইনোসরের নতুন প্রজাতিটি আকারের দিক থেকে টি. রেক্সদের কাছাকাছি। তিনি এর বৈজ্ঞানিক নাম দিয়েছেন Zhuchengtyrannaus magnus, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় জুহুচেংয়ের স্বেচ্ছাচারী শাসক। সামনের পা খর্বাকার হওয়ায় পেছনের পায়ে ভর দিয়েই এদের দৌড়াতে হতো। বিশ্বের যেসব জায়গায় ডাইনোসরদের অস্থির সন্ধান পাওয়া গেছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে যে জায়গায় সেই পূর্ব চীনের স্যাংডং প্রদেশের জুহুচেং শহরেই পাওয়া গেছে নতুন প্রজাতির সন্ধান। আবাসস্থলের নামানুসারেই এর নাম দেয়া হয়েছে জুহুচেংয়ের শাসক। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, এ জুহুচেংয়েই ছিল একসময় প্লাবনভূমি যেখানে একসঙ্গে অন্তত হাজারখানেক ডাইনোসর গোসল করত।
বিজ্ঞানী ডেভিড হুনের ডাইনোসরদের এ নতুন জাতের উদ্ভাবন জীবাশ্মবিদদের মধ্যে বেশ ভালোই সাড়া ফেলেছে বলা চলে। এ বিষয়ে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত বিখ্যাত জাদুঘর ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের জীবাশ্ম বিভাগের কিউরেটর মার্ক নরেল বলেছেন, এটা সত্যি খুবই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। তিনি বলেন, জুহুচেং সত্যিই এক বিস্ময়কর জায়গা। আমরা কেবল সবকিছু বুঝে ওঠার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছি। তা সত্ত্বেও এটি আমাদের ভবিষ্যতের পথচলার (গবেষণার) রসদ জোগান দিতে যাচ্ছে।
বিজ্ঞানী হুনের ধারণা, জুহুচেংয়ের বিশালদেহী সে-সব মাংসাশী ডাইনোসররা সরীসৃপ (ক্রেটাসিয়াস) যুগের শেষের দিকে ৯৯ থেকে ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে উত্তর আমেরিকা ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়াত।

সূত্রঃ এবিসি নিউজ
»» Read more

আসুন পরিচিত হই "বারাক ওবামার" বিলাসবহুল গাড়িটির সঙ্গে !


undefined


এটি একটি কালো ক্যাডিলাক গাড়ি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই বিলাসবহুল গাড়িটির দাম প্রায় দুই কোটি ২২ লাখ টাকা (তিন লাখ ডলার)। গাড়িটি গুলিনিরোধী। রকেটচালিত গ্রেনেডেও গাড়িটির কিছু হবে না। শত্রুর হামলা মোকাবিলার প্রয়োজনীয় প্রতিরোধব্যবস্থা ছাড়াও এতে রয়েছে প্রতিপক্ষের পাল্টা জবাব দেওয়ার মতো আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। আরও রয়েছে আরামদায়কভাবে ভ্রমণের আয়োজন। একই সঙ্গে রয়েছে আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা।
‘দ্য বিস্ট’ নামে পরিচিত এ গাড়িটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি যান। পদাধিকার বলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এখন ব্যবহার করছেন এটি।

গত মঙ্গলবার ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গাড়িটির কাচ এত পুরু যে রকেটচালিত গ্রেনেডও এটি ভেদ করতে পারবে না। গুলিনিরোধী দরজাগুলো ১০ ইঞ্চি পুরু। প্রয়োজনে লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করে দিতে এই গাড়িতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি হচ্ছে ঘণ্টায় ৬০ মাইল। গাড়ির চালক মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একজন সুপ্রশিক্ষিত গোয়েন্দা। এর চাকা এমনভাবে তৈরি যে বোমা মেরে টায়ার উড়িয়ে দিলেও এটি চলবে।

সর্বাধুনিক যোগাযোগ-প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই গাড়িতে এমন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যে ওবামা গাড়ির পেছনের আসনে বসে তাঁর স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন। স্রেফ একটি বোতাম টিপলেই ওবামার সামনে খুলে যায় ল্যাপটপ। তারবিহীন ইন্টারনেটব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট ফোনের মাধ্যমে নিমেষে তিনি শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। গাড়িতে ওবামার জন্য বিনোদনের ব্যবস্থাও রয়েছে। এ জন্য রয়েছে সিডি ও আন্যান্য আধুনিক ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জাম।
»» Read more

সর্বকনিষ্ঠ মহাকাশচারী ক্যালগারির কিশোর !



কানাডার এক কিশোর সর্বকনিষ্ঠ মহাকাশচারী হতে যাচ্ছেন। ক্যালগারির ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর ইতিমধ্যে মহাশূন্য ভ্রমণের জন্য কয়েক শ আগ্রহী প্রার্থীর সঙ্গে মহাকাশযানে তার আসন সংরক্ষণ করেছেন। ধনকুবের স্যার রিচার্ড ব্রানসনের ভার্জিন গ্যালাকটিক মহাকাশযানে করে মহাশূন্য ভ্রমণের জন্য এ পর্যন্ত ৪৪০ জন তাদের অর্থ পরিশোধ করেছেন। তাঁরা এখন চূড়ান্ত পরীক্ষা ও ভ্রমণের জন্য অপেক্ষা করছেন। কানাডার ওই কিশোর এখনই তার পরিচয় প্রকাশ করতে চাচ্ছেন না। ভার্জিন গ্যালাকটিকের ভ্রমণ প্রতিনিধি মাইকেল ব্রডহার্স্ট বলেন, যখন অনেক কিশোর-কিশোরী ১৬ বছর হলেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার স্বপ্ন দেখে, তখন ক্যালগারির ওই কিশোর তার স্বপ্নের সীমা দিগন্ত রেখার পানে নিয়ে গেছে। ১৬ বছর বয়সেই সে মহাশূন্য ভ্রমণের জন্য অর্থ পরিশোধ করেছে। তার বয়স এখন ১৭ এবং মহাশূন্য ভ্রমণে যেতে পারবে ১৮ বছর হলেই। এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সে তার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এ মুহূর্তে ভ্রমণকারীদের তালিকায় ১৮ বছরের নিচে কারও নাম নেই; আর ১৮ বছর না হলে ভার্জিন গ্যালাকটিকের যাত্রীও হওয়া যায় না। দ্য স্পেস টুডে ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, রুশ নভচারী সবচেয়ে কম বয়সে কক্ষপথে ভ্রমণ করেন। ১৯৬১ সালের আগস্টে মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি কক্ষপথে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

ভার্জিন গ্যালাকটিকের বিক্রয় প্রধান ক্যারোলিন উইনসার জানান, ২৩ জন কানাডিয়ান মহাশূন্য ভ্রমণের জন্য একটি ফ্লাইট রিজার্ভ করেছেন, যার মধ্যে ১৭ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী রয়েছেন। প্রত্যেক যাত্রীকে এ জন্য দুই লাখ মার্কিন ডলার প্রদান করতে হবে। কানাডার ভ্রমণেচ্ছুদের মধ্যে রয়েছেন ভার্জিন গ্যালাকটিকের কানাডার ভ্রমণ আয়োজনকারী ভিশন ২০০০ ট্রাভেল গ্রুপের যৌথ-অংশীদার স্টেফানি অ্যানিভিচও। তিন সন্তানের মা ওন্টারিওর ৬৩ বছর বয়সী স্টেফানি বলেন, তাঁর ভাষায়, আমি আর পার্শ্বরেখায় বসে থাকতে চাই না। দুই বছর আগে যখন শূন্য অভিকর্ষ বা মাধ্যকর্ষণ শক্তিতে ওজনহীনতার অভিজ্ঞতা অর্জন করি, তখনই মহাকাশে ভ্রমণের জন্য আমি মনোস্থির করি। এ জন্য ইতিমধ্যে বিশ্বের কয়েকজন মহাকাশে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অর্জনকারীর সঙ্গে দেখাও করেছি। তিনি আরও বলেন, কানাডায় অনেক বাণিজ্য সংগঠক ও ভ্রমণপিয়াসী আছে, যারা জীবনে একবারের জন্য হলেও মহাশূন্যে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিতে ব্যাকুল। অনেক বিত্তশালী মানুষ আছে, যারা অর্থের প্রাচুর্যে যেকোনো কিছু অর্জন করার ক্ষমতা রাখে।
ভয়ে রোলার কোস্টারে না ওঠার কথা জানিয়ে স্টেফানি জানান, তরুণী বয়সে তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু কখনো ভাবেননি যে একজন মহাকাশচারী হতে পারেন।
ভার্জিন গ্যালাকটিকে কানাডার ভাবি নভোচরের মধ্যে ছয়জন ওন্টারিওর এবং ১০ জন ক্যারগারির নাগরিক রয়েছেন। মাইকেল ব্রডহার্স্ট মনে করেন, কিছু করে দেখার বাসনা আর প্রসিদ্ধ পর্যটন শিল্পের কারণে ক্যালগারির নাগরিকেরা মহাকাশে ভ্রমণের জন্য এতটা আগ্রহী। ক্যালগারির যাত্রীদের মধ্যে একজন তেল ব্যবসায়ী, একজন দন্তচিকিৎসক ও আবাসন ব্যাবসায়ী রয়েছেন। বেশ কয়েকজন একক যাত্রীর সঙ্গে আরও আছেন এক দম্পতিও।

ভার্জিন গ্যালাকটিক মূলত তার মাদারশিপ থেকে পৃথিবী ছাড়িয়ে ১২০ কিলোমিটার দূরে একটি ছোট নভোযান পাঠাবে। ছয় যাত্রী নিয়ে দুজন পাইলট মহাশূন্যে নিয়ে যাবেন ওই যানটিকে, যেখানে যাত্রীরা শূন্য ডিগ্রি অভিকর্ষে নিজেকে সম্পূর্ণ ওজনহীন হওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। প্রথম মহাকাশযানটি এক বছরের মধ্যে মহাশূন্যে যাত্রার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভার্জিন গ্যালাকটিকের মালিক ব্রানসন কানাডিয়ান গণমাধ্যমকে বলেছেন, আশা করা যায় ১২ মাসের মধ্যে যাত্রার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন, অবশ্যই আমরা ১০০ ভাগ নিরাপদ ভ্রমণের জন্য যা যা করণীয় তা নিশ্চিত করার পরই মহাশূন্যে যাত্রা করব।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে মহাশূন্য ভ্রমণের জন্য খরচ আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এই খরচ ৫০ হাজার ডলারে নেমে আসবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সুত্রঃ বাংলা টাইস ..
»» Read more

গ্রহাণুতে খনিজ উপাদানের খোঁজে মার্কিন বিজ্ঞানীরা !

undefined




পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রায় ৯ হাজার গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড। এর মধ্যে প্রায় এক হাজার পাঁচশ’টিতে চাইলে যেতে পারবে মানুষ। মূল্যবান সব খনিজ উপাদানে ভরা এসব গ্রহাণু। সেগুলোর খোঁজেই এবার কাজ শুরু করেছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা।
৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের ছোট্ট একটি গ্রহাণুতে যে পরিমাণ প্লাটিনাম থাকতে পারে তার দাম অর্থের হিসাবে প্রায় ২৫ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাত্ প্রায় দুই লাখ চার হাজার থেকে চার লাখ আট হাজার কোটি টাকা।
এই একটিমাত্র পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যাচ্ছে গ্রহাণুগুলো ঠিক কতটা মূল্যবান হতে পারে। আর মানুষের কাজ যেখানে সম্পদ খুঁজে বেড়ানো, সেখানে পৃথিবীর বাইরের এই খনিগুলোতে যে এখনও বিজ্ঞানীদের পা পড়েনি, সেটাই আশ্চর্যের। তবে এর কারণটা বোধ করি সবার জানা, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির অভাব।
তবে এবার সেই অভাব দূর করতে কাজ শুরু করেছে মার্কিন কোম্পানি ‘প্লানেটরি রিসোর্সেস’। প্রায় তিন বছর ধরে কাজ করছে তারা। সম্প্রতি তারা জানিয়েছে, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে মহাকাশে একটি টেলিস্কোপ পাঠাবে, যেটা খনিজ সম্পদে ভরপুর গ্রহাণু খুঁজে বের করবে। এছাড়া তাদের আরেকটি পরিকল্পনা হচ্ছে, মহাকাশে খনিজ আহরণে কাজ করার জন্য কম খরচের রোবটচালিত যান তৈরি করা। কেননা সেটা না হলে বর্তমানে একটি মহাকাশ যান পরিচালনা করতে যে খরচ তা দিয়ে খনিজ সংগ্রহ অভিযান লাভজনক করা যাবে না।

এসব গ্রহাণুতে প্লাটিনাম ছাড়াও রয়েছে লোহা, নিকেল, সালফার বা গন্ধক। রয়েছে আরও সব নাম না জানা খনিজ পদার্থ, যেগুলো দিয়ে সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা যাবে। এছাড়া গ্রহাণুতে থাকা পানি দিয়ে তরল অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন তৈরি করা যেতে পারে, যেটা রকেটের জ্বালানি হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে। এটা সম্ভব হলে মহাকাশ গবেষণার কাজে যে যান বা কৃত্রিম উপগ্রহগুলো কাজ করছে, সেগুলোর জ্বালানি সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে অনেক বিশেষজ্ঞ প্লানেটরি রিসোর্সেসের এই প্রকল্পের সফলতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত যে, আজ থেকে ১০ বছর পর তারা সফলতার মুখ দেখতে পাবেন। সূত্র ডিডব্লিউ।
»» Read more

Saturday, May 12, 2012

অশ্লীল ছবি দেখার ফলে নারীদের অন্ধ হওয়ার আশঙ্কা !

মাত্রাতিরিক্ত পর্নো ছবি দেখার ফলে নারীদের অন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। নতুন একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে পর্নো ছবি দেখার ফলে সুস্থ নারীদের দর্শনেন্দ্রিয়ের রক্ত প্রবাহ হ্রাস পায়। এর ফলে তাদের দৃষ্টিশক্তি ব্যাহত হতে পারে। নেদারল্যান্ডসের ইউনিভার্সিটি অব গ্রোনিনজেন মেডিকেল সেন্টারের ইউরোনিউরোলজিস্ট ডা. গার্ট হোলস্টেজে বলেছেন, সমীক্ষার ফলাফলে ধারণা করা হচ্ছে আপত্তিকর দৃশ্যসংবলিত এসব ছবি দেখার সময় নারীদের চোখে আগের চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় যৌন উদ্দীপনা দেখা দেয়।



এ মাসের জার্নাল অব সেক্সচুয়াল মেডিসিনে প্রকাশিত ফলাফলে সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মোট তিন ধরনের ছবি দেখানো হয়েছিল। একটি ক্যারিয়ান সাগরের প্রাণীর ওপর তথ্যচিত্র, একটি হালকা পর্নো ছবি এবং একটি একেবারেই খোলামেলা পর্নো ছবি। ছবি দেখানোর পর এসব নারীর মস্তিষ্ক পরীক্ষা করে দেখা গেছে একেবারে খোলামেলা পর্নো ছবি দেখার সময় নারীদের দর্শনেন্দ্রিয়ে রক্ত প্রবাহ কমে গেছে। সুতরাং নারীরা সাবধান!
»» Read more