খুশকি মুক্ত চুল পেতে যা করণীয়!

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। প্রথমেই একটু বক বক করে নেই। নয়তো আবার পরে আফসোস করবো এই বলে যে, আহারে! সবাইকে তো টিপস শেয়ার করলাম কিন্তু মনের কথাটা মনেই থেকে গেল? তাহলে ব্লগইন করে মজাটাই বা কি হলো বলুন? তো আজ আমার শরীরটা বেশ ভালো তবে মনটা একটু খারাপ! কেন জানেন?...    তারিখঃ ০৭/০৪/২০১২  |  সবটুকু পড়ুন »
Showing posts with label Tutorials. Show all posts
Showing posts with label Tutorials. Show all posts

Saturday, August 25, 2012

ব্লক করুন ওয়েবসাইট একটি ছোট ট্রিকস ব্যবহার করে!

" বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম "

আজ অনেকদিন পর আবার লিখতে বসলাম। ছোট ট্রিকস তাই বেশী কিছু বলে কথা বাড়াবো না। আমরা অনেকেই ইন্টারনেটে নানান ওয়েবসাইটে ঘুরাঘুরি করি। এ সময় নানান অপ্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট আমাদের সামনে প্রায়ই হাজির হয়। যার ফলে আমাদের ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথ অযথা খরচ হয়। এছাড়াও প্রোনোগ্রাফিক্যাল নানান ওয়েবসাইটও আমাদের সামনে হঠাৎ চলে আসে। আমরা চাইলেই এই সব ওয়েবসাইটগুলোকে আমাদের পিসিতে ব্লক করে রাখতে পারি। নাহ কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করে নয়। ছোট একটা ট্রিকস ব্যবহার করে। আর সেটা আপনিও পারবেন।

যাক আসুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাকঃ

১. প্রথমে Start - Run এ যান।

২. এবার c:\windows\system32\drivers\etc\hosts টাইপ করুন।

৩. Notepad সিলেক্ট করে OK বাটনে ক্লীক করুন।

৪. সেখানে দেখবেন 127.0.0.1 localhost লেখা আছে।

৫. তার ঠিক নিচে 38.25.63.10 Your Website link টি টাইপ করুন / পেষ্ট করে দিন।

৬. এবার Your Website link টির জায়গায় যে ওয়েবসাইটটি ব্লক করতে চান সেটি টাইপ করুন।

যেমন ধরুনঃ আপনি facebook ব্লক করতে চান তাহলে লিখুন 38.25.63.10     facebook.com

৭. এবার File - Save এ ক্লীক করুন।

৮. আপনার ব্রাউজারটি বন্ধ করে আবার চালু করুন। দেখুন আর ঐ ওয়েবসাইটে ঢুকা যাচ্ছে না।

৯. এভাবে আপনি একাধিক ওয়েবসাইট ব্লক করতে পারবেন।

১০. আপনি চাইলেই লিষ্ট থেকে নাম মুছে দিয়ে সেই ওয়েবসাইটটিকে আনব্লক করতে পারবেন।


কোন সমস্যা থাকলে বা প্রশ্ন থাকলে মতামত করে জানাতে পারেন .. ধন্যবাদ

»» Read more

Wednesday, August 8, 2012

বিকাশ (bkash) কি? কেন এবং কিভাবে?

টিভিতে/রেডিওতে দেখে বা শুনে অনেকেরই আগ্রহ জাগে সার্ভিসটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য তাদের জন্য এই টিউন। আপনার/আমার উপকারে না লাগলেও হয়তো অনেকের উপকারে লাগবে তাই জেনে রাখুন।
bKash কি?
bKash(বিকাশ) হচ্ছে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সহজে ও দ্রুত টাকা পাঠানোর অন্যতম পদ্ধতি।
কেন বিকাশ ব্যবহার করবেন??
অর্থাৎ বিকাশ ব্যবহার করে আপনি কি কি সুবিধাগুলো পাবেনঃ
# সেকেন্ডের মধ্যে বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় টাকা পাঠাতে পারবেন।
# ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার দোকান থেকে কেনা-কাটা করতে পারবেন। আমার জানামতে বর্তমানে আড়ং এ এই সুবিধা পাওয়া যায়। তবে আপনার যদি দোকান থাকে আপনিও রেজিঃ করে আপনার ক্রেতাদের কাছ থেকে বিকাশ এর মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহন করতে পারবেন।
# কিছৃ কিছৃ অনলাইন শপিং সাইট বর্তমানে বিকাশ সাপোর্ট করছে। তাই অনলাইনেও কেনাকাটা কারতে পারেন।
আর অন্যান্য কাজগুলোর কথা আপনারা বুঝতেই পারছেন।
bKash রেজিস্ট্রেশন করতে কি কি কাগজপত্র লাগেঃ
১। একটি রবি অথবা গ্রামীণফোন নাম্বার
২। ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৩। ভোটার আইডি অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ফটোকপি। (সত্যায়িত করা লাগবে না)
৪। যার নামে রেজিস্ট্রেশন করবেন তার বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি হতে হবে এবং রেজিঃ করার সময় বিকাশ এজেন্টের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে রেজিঃ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
আর একটি কথা তো বলতে ভুলেই গেছি রেজিস্ট্রেশন করতে কিন্তু কোন টাকা লাগে না অর্থাৎ ফ্রি। তাই রেজিঃ করে রাখতে পারেন।
যেভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেনঃ
প্রথমে আপনাকে আপনার এলাকার bkash এজেন্ট খুজে বের করতে হবে। খোজাখুজির কথা শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই আপনি চাইলে অনলাইনেই দেখে নিতে পারবেন আপনার এলাকার বিকাশ এজেন্টদের ঠিকানা।
আপনার এলাকার বিকাশ এজেন্টের ঠিকানা খুজে বের করবেন কিভাবে?
এখানে ক্লিক করে আপনার এলাকা(যেখানে রেজিঃ করবেন)তা নির্বাচন করুন
তারপর Find এ ক্লিক করলেই আপনার এলাকার বিকাশ এজেন্টদের লিস্ট/দোকানের ঠিকানা পেয়ে যাবেন। তারপর আপনাকে উপরের কাগজপত্র নিয়ে সেখানে যেতে হবে।
বিকাশ এজেন্ট আপনাকে একটি ফর্ম দিবে ঐটা পূরন করতে হবে। তারপর
আপনার মোবাইল নং এ একটি কনফারমেশন মেসেজ আসবে। আপনাকে এখন আপনার ট্রানজেকশন পিন তৈরি করতে হবে। মনে রাখবেন ট্রানজেকশন পিন যার হাতে টাকা কিন্তু তার। সুতরাং ট্রানজেকশন পিন গোপনে রাখবেন। ট্রানজেকশন পিন ৪সংখ্যার একটি নাম্বার। টাকা তুলতে কিন্তু আপনার ট্রানজেকশন পিন লাগবে।
রেজিঃ তো শেষ এবার টাকা লোড করার পালা। টাকা লোড করা হচ্ছে সবচেয়ে সহজ। যেভাবে ফ্লেক্সিলোড করেন একই সিস্টেম বিকাশ এজেন্টকে টাকা আর আপনার নাম্বার দিলেই আপনার কাজ শেষ। ফ্লেক্সির সাথে পার্থক্য হচ্ছে এই টাকা আপনি তুলতে পারবেন আর ফ্লেক্সির টাকা কথা বলে শেষ করতে হয়।
বিকাশ থেকে কিভাবে টাকা তুলবেন?
আপনার বিকাশ একাউন্টের টাকা তোলার জন্য বিকাশ এজেন্টের কাছে গিয়ে তাকে অবহিত করুন আপনি কত টাকা তুলতে চান। তাহলে বিকাশ এজেন্ট আপনাকে তার একাউন্ট নাম্বার দিবে। এখন আপনাকে ঐ নাম্বারে টাকা পাঠাতে হবে। টাকা পাঠাতে কিন্তু আপনার ট্রানজেকশন পিন লাগবে।
এজেন্টকে টাকা পাঠানোর জন্য আপনার মোবাইল থেকে *247# ডায়াল করলে বিকাশ মেনু আসবে।
তারপর 4. Cash Out  অপশনটি নির্বাচন করবেন। তারপর 1. From Agent নির্বাচন করে এজেন্টের একাউন্ট নাম্বার দিয়ে OK করলে আপনার ট্রানজেকশন পিন দিতে হবে। তাহলে আপনার টাকা পেয়ে যাবেন। আর এই কাজগুলো আপনি না পারলে বিকাশ এজেন্টকে বললেই করে দেবে সমস্যা নাই। তবে আপনার পিন নাম্বার কিন্তু তাকে বলবেন না। :পি
টাকা তোলার সময় আপনার টাকা হতে কিছু চার্জ কেটে রাখা হবে যা নিম্নরূপঃ
আপনি চাইলে আপনার একাউন্ট থেকে অন্য কাউকে টাকা পাঠাতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনার একাউন্ট থেকে অতিরিক্ত ২ টাকা সার্ভিস চার্জ হিসাবে কেটে নেবে। তাই আপনি কাউকে টাকা পাঠালে এজেন্টকে দিয়েই পাঠাইয়েন তাহলে আপনার আর অতিরিক্ত ২টাকা লাগবে না।
»» Read more

Wednesday, July 4, 2012

উইন্ডোজ এক্সপি পরিচিতি ও সেটআপ (চিত্রসহ পরিপূর্ণ টিউটোরিয়াল )

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম।
কেমন আছেন আছেন সবাই? তাই? যাক আলহামদুলিল্লাহ শুনে ভালো লাগলো। হ্যা আল্লাহর রহমতে আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আসলে জানেন অনেক দিন কোন লেখা লেখি করি নি। মনটা খুব উসখুস করে লেখা লেখি করার জন্য। কিন্তু এই পড়ালেখা। আহহ ! শুধু পরীক্ষা আর পরীক্ষা। তাই আসলে আর সময় হয়ে ওঠে নি। তো আপনারা হয়তবা জানেন কিছু দিন আগে আমি একটা লেখা লিখেছিলাম আর সেটা হলো রান কমান্ড নিয়ে। আজ সময় পেলাম আর লিখতে বসে গেলাম। :) কিন্তু তার আগে আসুন উইন্ডোজ এক্সপি সম্পর্কে কিছু জেনে নেই। যদিও জানি আপনারা এটা সম্পর্কে জানেন। তবুও আমি মনে করি যা নিয়ে লিখবো তার সম্পর্কে দুই চারটা কথা না বললে কেমন হয়ে যায় না ব্যাপারটা ?

উইন্ডোজ এক্সপি পরিচিতিঃ

উইন্ডোজ এক্সপি

আমরা সবাই জানি উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) একটি অপারেটিং সিস্টেম। মুলত এটি একটি গ্রাফিক্স অপারেটিং সিস্টেম। এটি তৈরী করেছে মাইক্রোসফট কোম্পানী। কম্পিউটারের অন্য অনেক অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে এটি খুবই জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটি বাজারে আসে ২০০১ সালে। বাজারে আসার পরপরই এটি বহুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এবং আস্তে আস্তে মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। এমন হয়ত খুব কম মানুষই খুজে পাওয়া যাবে যারা এই OS টি ব্যবহার করেন নি। মার্কেটে আসার পর পর এতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়। আরো উন্নত করা হয়। বর্তমানে এর সর্বশেষ সংস্কারটি অর্থাৎ Service Pack 3 সর্বপ্রথম ২০০৮ সালে বাজারে আসে। যদিও এটি লিনাক্সের মত উইন্ডোজ কিন্তু উম্মুক্ত নয় তার পরেও এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। বর্তমানে বাজারে উইন্ডোজ এক্সপির চেয়ে আরো উন্নত অপারেটিং সিস্টেম থাকা সর্ত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত আমাদের দেশের প্রায় ৬০% মানুষ উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করেন। উইন্ডোজ এক্সপির পরে মাইক্রোসফট এর পক্ষ থেকে বাজারে উইন্ডোজ ভিসতা , সেভেন বাজারে নেমেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো এর পরেও উইন্ডোজ এক্সপির ব্যবহারের জনপ্রিয়তায় তেমন কোন প্রভাব ফেলে নি।

যেভাবে সেটআপ দিতে হবেঃ

এবার আসুন শিখে নেই এই অপারেটিং সিস্টেমটি আপনার কম্পিউটারে কীভাবে সেটআপ দিবেন। এটা খুবই সহজ। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমি নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করলাম এবং চিত্র সংযোজন করে দিলাম। তো আসুন এবার শিখে ফেলিঃ
  • আপনার কম্পিউটারের সিডি রমে Microsoft Windows XP এর সিডি ঢুকান। এই সিডিটি আপনি আপনার আশে পাশের কোন কম্পিউটারের দোকানেই কিনতে পারবেন। দাম? বেশী নিবে না। সিডি নিবে ২৫-৩০ টাকা অথবা ডিভিডি হলে ৪৫-৫০ টাকা নিবে। এবার আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
  • যখন বায়োস welcome screen আসবে তখন F12 অথবা Delete প্রেস করে বায়োস সেটিং এ যান। সেখান থেকে Boot অপশন এ গিয়ে আপনার CD-ROM টি 1st Boot এ সিলেক্ট করে দিন। তারপর Save করে বের হয়ে আসুন। ফলে কম্পিউটার পুনরায় Restart নিবে।
  • এবার কিছুক্ষন পর Press any key to boot from CD ... লেখা আসবে । এই লেখাটি আসলে আপনার কীবোর্ড থেকে যেকোন একটা Key প্রেস করুন।
  • একটা নীল ক্রীন আসবে। সেখানে সেটআপের সব ফাইলগুলো অটোমেটিক লোড হবে। এখানে কোন কিছু করার দরকার নেই। আপন মনেই লোড হতে দিন সব কিছু।
  • সেটআপের সব ফাইল লোড হয়ে গেলে Enter প্রেস করুন।
  • এখন আপনি ওদের নীতিমালাগুলো মানতে রাজি কিনা সেটা জানতে চাইবে। যেহেতু আমরা রাজি so আপনার কীবোর্ড থেকে F8 প্রেস করুন।
  • এবার বলবে আপনি কি আপনার উইন্ডোজ এক্সপি Repair করতে চান? যেহেতু আমরা উইন্ডোজ এক্সপির fresh copy install করবো তাই আপনার কীবোর্ড থেকে ESC প্রেস করুন। [ যদি এমন কোন অপশন না আসে তাহলে এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোন দরকার নেই। ]
  • এখন আপনার System ড্রাইভ মানে C ড্রাইভ সিলেক্ট করুন। তারপর কীবোর্ড থেকে D প্রেস করুন। তারপর Enter প্রেস করুন। তারপর আবার L প্রেস করুন। যার ফলে দেখবেন আপনার C ড্রাইভটির পার্টিশন ডিলিট হয়ে যাবে। আবার Enter প্রেস করুন।
  • এবার পার্টিশন অপশন Select করতে বলবে। আপনি ওখান থেকে NTFS ফরমেটটি সিলেক্ট করে Enter প্রেস করবেন।
  • ফলে আপনার C ড্রাইভটি ফরমেট হওয়া শুরু করবে। সবকিছু অটোমেটিক হবে। আপনাকে কোন কিছু করতে হবে না।
  • ফরমেট complete হয়ে গেলে এবার সেটআপ ফাইল আপনার হার্ডডিস্কে কপি হবে। কপি শেষে কম্পিউটার অটোমেটিক রির্স্টাট নিবে।
  • মনে রাখবেনঃ কম্পিউটার রির্স্টাট নেওয়ার পর কিন্তু আবার Press any key to boot from CD ... লেখা আসবে । সেখানে কিন্তু কোন কিছু প্রেস করবেন না। সব কিছু অটোমেটিক হবে।
  • এবার নিচের মতো স্ক্রীন আসবে। এখানে কিছু করতে হবে না সব কিছু অটোমেটিক হবে।
  • কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর একটা ডায়ালগ বক্স আসবে। সেখানে Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • আপনার নাম ও কোম্পানির নাম অথবা আপনার যা ইচ্ছা করে লিখুন। :) তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • এবার CD Key টাইপ করতে বলবে। যদি CD Key চায় তাহলে আপনার উইন্ডোজ এক্সপির সিডির প্যাকেটের গায়ে দেখুন CD Key দেওয়া আছে। যদি এমন কোন অপশন না আসে তাহলে টেনশন করার কোন প্রয়োজন নেই।
  • এবার আপনার কম্পিউটার name দেখাবে। আপনি যদি আপনার কম্পিউটারে পাশওয়ার্ড ব্যবহার করতে চান তাহলে Administrator Password এ গিয়ে আপনার পাশওয়ার্ড লিখুন। তারপর পুনরায় তা Conform Password এ তা টাইপ করুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • পরবর্তী ধাপে Date আর Time Zone সেট করতে বলবে। সেখানে সব কিছু Default রেখে Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • নেটওয়ার্ক সেটিং আসবে। Typical Settings এর রেডিও বাটনটিতে ক্লীক করে mark করে দিন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • এইধাপে কোন কিছু পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। Next বাটনটিতে ক্লীক করুন।
  • ফলে নিচের মতো স্ক্রীন আসবে এবং আবার সব কিছু অটোমেটিং সেটআপ হতে থাকবে। সেটআপ হয়ে গেলে কম্পিউটার অটোমেটিকভাবে Restart নিবে।
  • এরপর কম্পিউটার আবার চালু হবে। যেহেতু CD সিডিরমে ঢুকানোই রয়েছে তাই আবার Press any key to boot from CD ... লেখা আসবে । এখানে কোন Key চাপবেন না।
  • নিচের ছবির মতো মেসেজ আসতে পারে। সেখানে OK বাটনে ক্লীক করুন।
  • আবার নিচের ছবির মতো মেসেজ আসতে পারে। সেখানে OK বাটনে ক্লীক করুন।
  • এখন এখানে Next বাটনটিতে ক্লীক করুন।
  • ইন্টারনেট কানেকশন চেক করতে পারে। এই পর্যায়ে Skip বাটনে ক্লীক করুন।
  • আবার Skip বাটনে ক্লীক করুন।
  • রেজিষ্টেশন করতে বলবে। এখানে Not Now এ ক্লীক করুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • এরপর ব্যবহারকারীর নাম লিখুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • ব্যাস! সব কাজ শেষ। এখন Finish বাটনে ক্লীক করুন।
  • এরপর দেখবেন ইনশাআল্লাহ Welcome স্ক্রীন দেখা যাবে।
  • কিছুক্ষন পর আপনার সামনে Desktop হাজির হয়ে যাবে।
দেখলেন তো কত সহজেই নাহ Windows XP সেটআপ দেয়া যায়।

Motherboard সেটআপঃ



এখন আপনার Motherboard এর Driver Install করে Sound , Video, Lan ইত্যাদি সক্রিয় করুন। আর হ্যা মনে রাখবেন এটা কিন্তু অবশ্যই জরুরী Windows XP এর জন্য। কেননা এটা Windows 7 এর মতো নয় যে Automatic সব কিছু সেটআপ নিয়ে নেবে। যদি Motherboard সেটআপ না থাকে তাহলে আপনি গান শোনা, বা ভিডিও দেখা ইত্যাদি কাজ করতে পারবেন না। তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। কেননা আপনি যখন পিসি কিনবেন তখন দোকানদারই আপনাকে MotherBoard এর সিডি আপনাকে দিয়ে দিবে। আর যারা 2nd Hand মানে পুরোনো পিসি কিনেছেন তারা তাদের প্রকৃত ব্যবহারকারীর কাছ থেকে এই সিডিটি সংগ্রহ করে নিবেন। আর যদি কোন দুর্ভাগ্যবান থাকেন যে তাদের কাছে কোন সিডি নেই তাহলে তারা তাদের Motherboard এর Driver গুলো Website থেকে নামিয়ে নিতে পারেন। এর জন্য আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই ওয়েবসাইটটি। আশা করি আপনারা ওখানেই আপনাদের চাহিদা মতো সব Motherboard এর সফটওয়্যার / ড্রাইভার পেয়ে যাবেন।

আশা করি এই পোষ্টটি আপনাদের কাজে আসবে। আসলে আমি খুবই ব্যস্ত। কারণ আমার কলেজে পরীক্ষা চলছে। তবুও দেখুন? রাত জেগে লিখছি যাতে করে আপনাদের বিন্দুমাত্র উপকার করতে পারি। যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে আমার এই রাতজাগা পরিশ্রম সার্থক। কোন সমস্যা হলে মতামত করে জানাবেন। আর হ্যা কেমন লাগলো এবং কোন ভুল ক্রুটি থাকলে ক্ষমা করে সেটি জানাবেন। হে আল্লাহ আমাদের সবার উপর আপনার অশেষ রহমত ও করুণা নাযিল করুন। আমীন।
সবাইকে ধন্যবাদ ...
-মোঃ আব্দুর রহিম
»» Read more

Thursday, June 7, 2012

বানিয়ে ফেলুন নিজের Run কমান্ড আর কাজ করুন দ্রুত গতিতে !

 "বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম"

কেমন আছেন সবাই? নিশ্চয়ই ভালো? ভালো তো থাকতেই হবে নয়তো নিয়মিত আইটি ওয়ার্ল্ডের বিজ্ঞানের সাগরে গোছল দিবেন কিভাবে তাই নাহ? হিহি যাই হোক আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকি তাদের কাছে বহুল পরিচিত একটি অপশন হলো Run Command .. যা দ্বারা আমরা খুব সহজেই যে কোন ফাইল মাত্র কয়েকটা ক্লীকেই কম্পিউটারের আনাচে কানাচে থেকে ঘাড় ধরে নিজেদের সামনে হাজির করতে পারি। মূলত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এ আগে থেকেই কিছু সফটওয়্যারের ডিফল্ট শর্টকার্ট তৈরী করাই থাকে। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই সেই ফাইলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। যেমন ধরুনঃ আপনি ক্যালকুলেটর বের করতে চাইলে run বাক্স open করেই calc চেপে Enter press করলেই আপনার সামনে ক্যালকুলেটর হাজির হয়ে যাবে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই।
তবে হ্যা প্রথমেই বলে রাখি আমি এই পোষ্টি করছি সম্পূর্ণ Windows Xp প্লাটফ্রেমের উপরে। সুতরাং অন্য ভারসন মানে 7 or 8 এর কথা আমি জানি না । কেননা সত্যি বলতে আমি কখনো ওগুলো ব্যবহার করি নাই

এখন আপনার প্রশ্ন হলোঃ

আরে আঃ রহিম ভাই আপনের সবই তো বুঝলাম। তয় অহন যে আমার নিজের ফাইল ঝটপট বাহির করবার লাগবো.. তাইলে অহন আমি কি করুম? আমার যে আর এই সব মেনু টেনু দিয়ে কাম করবার মন চায়না .. মুখস্ত করা আমার কাছে এক্কেবারে ফাউল জিনিস মনে হয় ..
সমস্যা নেই এর সমাধানও আছে। ধরুন যেহেতু run command তো আর আকাশ থেকে উড়ে উড়ে আসি নি। নিশ্চয়ই কেউ একজন বানিয়েছে। তাহলে? আপনার উত্তর তো পেয়েই গেলেন। যদি কেউ বানাতে পারে তাহলে ভাই আপনি বানাতে পারবেন না কেন? আরে মিঞা :D এত ভাবছেন কেন? চেষ্টা করতে দোষ কিসের? আচ্ছা বাদ দেন আগে এই Run command কিভাবে কাজ করে সেটা দেখি তারপর বানানো শিখামু কেমন .. no টেনশন boss !

Run COmMand যেভাবে কাজ করেঃ


এটা মূলত সরাসরি আপনার System এর সাথে কাজ করে। অর্থাৎ আপনার অপারেটিং সিস্টেমের System এর সাথে রিলেটেড যে কোন ফাইলের নাম / শর্টকাট যদি আপনি Run Command এ টাইপ করে Enter Press করেন তাহলে খুব সহজেই সেই ফাইলটি ১ সেকেন্ডেরও কম সময়ে আপনার সামনে হাজির হতে বাধ্য। তবে অবশ্য কোডটি অবশ্যই সঠিক হতে হবে। জন্য আগে আপনাকে সেই কমান্ডটি জানতে হবে। তবে ধরুন আপনি কোন কমান্ড জানেন না তখন কি করবেন? কেন বানিয়ে ফেলবেন নিজের মতো করে? আরে ভাই আপনার কি ঠেকা পড়ছে বলেন তো Windows এর কথা মতো উনাদের Command গুলো মুখস্ত করা? এখন মনে করেন ক্যালকুলেটর বের করতে চাইলে calc টাইপ না করে আপনি যদি নিজের run command বানিয়ে ফেলেন তাহলে মাত্র c টাইপ করেই ক্যালকুলেটর আপনার সামনে হাজির করা সম্ভব। ব্যাস ! Clear :-P

আসুন এবার ঝটপট তৈরী করে ফেলিঃ

আপনাদের সুবিধার জন্য ধাপে ধাপে ছবি সংযোগ করে বোঝানোর চেষ্টা করলাম।
  • প্রথমে আপনি যেই ফাইলটি Run Command দ্বারা চালু করবেন সেই ফাইলটিতে যান। এবং গিয়ে মাউসের Right বাটনে ক্লীক করুন। তারপর Create shortcut অপশনটিতে ক্লীক করুন। প্রয়োজনে নিচের ছবিটি দেখুনঃ
  • তারপর শর্টকাটটি আপনার পছন্দের নামে Rename করুন। আর Rename করার সময় অবশ্যই মনে রাখবেন এই নাম দ্বারাই Run Command এর মাধ্যমে আপনি পরবর্তীতে ফাইলটি চালু করতে পারবেন।
  • এবার ফাইলটি cut করুন। এবং আপনার (Window Xp) অপারেটিং সিস্টেমের সিস্টেম ড্রাইভ মানে C:\WINDOWS তে যান। তারপর সেখানে এই শর্টকাটটি Past করে দিন।
  • এবার Run বাক্স open করুন। তারপর আপনার ফাইলের শর্টকার্টের Rename করা ফাইলটির নাম টাইপ করুন। তারপর Enter Press করুন। [মনে রাখবেনঃ Capital Letter or Small Letter কোন ব্যাপার না। ব্যাপার শুধু এটাই যে নামটা ঠিক মতো টাইপ করেছেন কিনা :) ]
  • ব্যাস ! দেখুন এক ক্লীকেই আপনার ফাইলটি আপনার সামনে হাজির :) এবার কাজ করা শুরু করে দিন ....
দেখলেন তো কীভাবে খুব সহজেই Run Command বানিয়ে ফেলা যায়। এবার আপনি চেষ্টা করুন। ইনসাআল্লাহ অবশ্যই পারবেন। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
- মোঃ আব্দুর রহিম
ব্যতিক্রম ধর্মী কিছু পোষ্টঃ


»» Read more

Tuesday, May 1, 2012

পাঁচ মিনিটেই উইন্ডোজ ইনষ্টল!

অনেকেই হয়তো জেনেছেন ৫ মিনিটেই ইউন্ডোজ ইনষ্টল করা যায়। কিন্তু সেটা কিভাবে তা হয়তো জানেন না বা কখনো ট্রাই করে দেখেন নি কারন জানা নেই আসলে কিভাবে এটা ব্যাবহার করা হয়।

আমি একটা টিউটোরিয়াল নিয়ে এসেছি যাতে সহজেই আপনি নিজের উইন্ডোজ ব্যাকাপে রাখতে পারেন আর পরে প্রয়োজনে রিস্ট্রোর করতে পারেন। উল্লেখ্য, যারা এই সফটওয়ার সম্মন্ধে জানেন তাদের জন্য এই পোষ্ট না। সামনে আর পড়ার দরকার নেই, প্রথম পেইজে চলে যেতে পারেন।


প্রথমেই আপনাকে ডাওনলোড করতে হবে Acronis True Image Home 2009 ডাওনলোড করে ইনষ্টল করে নিন। ডাওনলোড করতে যেতে হবে এখানে

সফটওয়ারটি ফ্রি না, সুতরাং ১৫ দিনের ট্রায়াল ভার্শন ব্যাবহার করতে পারেন, যদি কিনতে না পারেন।

আপনি যদি সফল ভাবে Acronis True Image Home 2009 ইনষ্টল করে থাকেন তাহলে এবার Start মেনুতে গিয়ে Acronis True Image Home 2009 সিলেক্ট করে Bootable Rescue Media Builder এ ক্লিক করুন। নিচের ছবির মত। এ ক্ষেত্রে আপনাকে থাকতে হবে সিডি রাইটার ও একটা Blank CD. যদি না থাকে তাহলে এই অপশনটি বাদ দিন। এই সিডির কাজ হলো কখনো উইন্ডোজ রান না হলে এই বুটেবল সিডি দিয়ে আপনি আপনার ফাইল রিস্ট্রোর করতে পারবেন।



যাই হোক ধরে নিচ্ছি আপনার কাছে প্রয়োজনীয় সব কিছুই আছে। পরবর্তি ধাপে যাচ্ছি। Next এ ক্লিক করে Acronis True Image Home সিলেক্ট করে নিন।
নিচের ছবির মত।


এবার Next এ গিয়ে পরবর্তি ইউন্ডোতে সিডি রাইটার সিলেক্ট করে নিন। নিচের ছবির মত।


যদি এই মুহুর্তে আপনার Blank CD না থাকে তাহলে ISO Image ফাইল বানিয়ে হার্ড ডিস্কে রেখে দিতে পারেন, যখনি হাতে সিডি আসবে, বার্ন করে নিতে পারবেন। এবার প্রসেস এ ক্লিক করে তৈরি করে ফেলুন বুটেবল সিডি।


এবার আসা যাক যেভাবে ব্যাকাপ করা হয়। একটা ক্লিয়ার উইন্ডোজ ব্যাকাপ নেয়ার আগে কয়েকটা টিপস মনে রাখা ভালো।

১/ মাই ডকুমেন্ট ও সি ড্রাইভের সব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুন। ডাওলোড ম্যানেজার বাই ডিফল্ট মাই ডকুমেন্ট এ একটা Download নামে ফোল্ডার তৈরি করে, সেটা চেক করে প্রয়োজনীয় ফাইল অন্য স্থানে নিয়ে বাকি সব ডিলেট করে ফেলুন।

২/ অপ্রয়োজনীয় সফটওয়ার আনইনষ্টল করে ফেলুন। রেজিষ্ট্রি ক্লিন করুন। এর জন্য CCleaner ব্যাবহার করতে পারনে।

৩/ ব্যাবহৃত ব্রাউজার গুলোর প্রয়োজনীয় সেটাপ করে নিন। যেমন ফন্ট, Favorite website এড করা ইত্যাদী।

৪/ এন্টি ভাইরাস আপডেট করে নিন।

৫/ প্রয়োজনীয় সব সফটওয়ার আপডেট করে নিন।

যাই হোক নিজের প্রয়োজন অনুষারে সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার উইন্ডোজ।

Acronis True Image Home 2009 রান করুন। Home ট্যাব এর ব্যাকাপ এ ক্লিক করুন। নিচের ছবির মত।



এবার নিচের ছবি ফলো করুন।


সিলেক্ট করুন সিস্টেম ড্রাইভ।


ব্যাকাপ করা ফাইলটি কোথায় Save করবেন সেটা সিলেক্ট করুন। Save করার সময় অবশ্যই সে ফাইলটি C ড্রাইভ ছারা অন্য ড্রাইভে করবেন। কারন কোন কারন বশত উইন্ডোজ করাপ্ট হলে যেন অন্য ড্রাইভ দেখে তা রিস্টোর করা যায়।

ফাইলের নাম দিন। জেনারেট নেম এ ক্লিক করলে Mybackup নামে একটা ডিফল্ট নাম আসবে ফাইলের। আপনি ইচ্ছে করলে সেটা পরিবর্তন করতে পারবেন, তবে সবার শেষে .tib টা চেঞ্জ করবেন না।


এর পর Next এ ক্লিক করুন। সিডিউল অপশনে এসে Do not schedule এ রেখে (এটা ডিফল্ট হিসেবেই থাকে) Next এ ক্লিক করুন।

এবারে Step এ Full অথবা ডিফল্ট হিসেবে থাকা Incremental রেখে Next এ ক্লিক করুন।

এবারের Step এ কোন কিছু সিলেক্ট করার প্রয়োজন নেই। সিলেক্ট করলে অনেক সময় প্রসেসিং ফেইল দেখায়। Next এ যান।
ছবি নিচে।


এবারে Step এ যদি ব্যাপ করা ফাইলটাকে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করতে চান তাহলে পাসওয়ার্ড দিতে পারেন। আর না চাইলে এ Step রেখে Next এ যান। ছবি নিচে।


এবারের Step এ কিছু করার দরকার নেই। পরবর্তি Step এ যান।

এই Step তেও কোন পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। Next এ যান।

এবার প্রসিড এ ক্লিক করুন। ছবি নিচে।


সব কিছু ঠিক থাকলে কিছুক্ষনের মধ্যেই ব্যকাপ প্রসেস শুরু হবে। শুধু মাত্র মাদারবোর্ড ড্রাইভার সহ উইন্ডোজ ব্যাকাপ নিলে ৫ থেকে ৭ মিনিট লাগতে পারে। ফাইল সাইজ হতে পারে ১.৫ থেকে ২ জিবি। আর সব সফটওয়ার সহ নিলে সময় একটু বেশী নিবে এবং ফাইল সাইজ হতে পারে ৩.৫ থেকে ৪.৫ জিবি।

ব্যাকাপ নেয়া সফল হলে মেসেজ পাবেন।


এবার আসি কিভাবে ব্যাকাপ করা ফাইলটা রিস্টোর করবো।
রিস্টোর দুই ভাবে করা যায়।
১/ সরাসরি উইন্ডোজে থেকে।
২/ বুটেবল সিডি দিয়ে।

উইন্ডোজ থেকে যেভাবে রিস্টোর করা হয়, সেটা নিয়ে বলছি।
সেইভ করা ব্যাকাপ ফাইলটাতে রাইট ক্লিক করুন,
নিচের ছবির মত অপশন পাবেন।


Recover এ ক্লিক করুন। Acronis True Image Home অটোম্যাটিক রান হবে। এই অপশনটি আপনি Start Menu থেকে Acronis True Image Home রান করেও পেতে পারেন।
যেমন নিচের ছবি গুলো লক্ষ করুন।






যাই হোক, এবার যে অপশনটি আসবে তাতে কিছু পরিবর্তন করার দরকার নেই।


Next এ এসে এবার শুধু C ড্রাইভটা সিলেক্ট করে দিন।


Next এ যান এবং এবারের Step এ উইন্ডোজকে যদি আগের ড্রাইভের রাখতে চান তাহলে কোন কিছু পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই্।



Next এ যান এবং প্রসিড এ ক্লিক করুন।



কিছুক্ষনের মধ্যেই রিস্টোর শুরু হবে এবং আপনার পিসি রিস্টার্ট হবে।

রিস্টোর করতে ৫ থেকে ১০ মিনিট লাগতে পারে। সময় নির্ভর করবে আপনার পিসির গতি ও ফাইল সাইজের উপর। প্রসেস সফল হলে মেসেজ পাবেন এবং এক্রোনিস ক্লোজ করে দিন।

পিসি রিস্টার্ট হবে।

২/ এবার আসি যেভাবে Bootable CD দিয়ে রিস্টোর করা হয়।

প্রথমে আপনাকে মাদারবোর্ডের BIOS এ গিয়ে বুট সিলেক্ট করে দিতে হবে CD/DVD ROM কে।
এর পর Acronis এর বুটেবল সিডিটি সিডি ড্রাইভে প্রবেশ করিয়ে পিসি Start করুন। আপনার BIOS First Boot হিসেবে সিডি সার্চ করবে এবং Acronis রান হবে। এবার দুটি অপশন থেকে আপনি Acronis True Image 2009 সিলেক্ট করুন।
পরবর্তি Step গুলো উইন্ডোজ থেকে রিস্ট্রোর করার মতই। সুতরাং সেটা ফলো করুন।

রিস্টোর শেষে Success মেসেজ আসলে ওকে দিয়ে ক্লোজ করুন। এবার উইন্ডোজ রিস্টার্ট হবে। যেহেতো বুটেবল সিডিটি এখনোও আপনার সিডি ড্রাইভে আছে, সেহেতো আবার সেই দুটি অপশন আসবে। আপনি এবার উইন্ডোজ সিলেক্ট করুন। ঠিক মত রিস্টোর হলে উইন্ডোজ রান হবে।

পরে BIOS এ গিয়ে বুট চেঞ্জ করে নিবেন। ব্যাস এই টুকুই। এই সফটয়্যানে আরো অনেক চমৎকার কিছু ফিচার আছে, যে গুলো নিজে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
»» Read more