খুশকি মুক্ত চুল পেতে যা করণীয়!

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। প্রথমেই একটু বক বক করে নেই। নয়তো আবার পরে আফসোস করবো এই বলে যে, আহারে! সবাইকে তো টিপস শেয়ার করলাম কিন্তু মনের কথাটা মনেই থেকে গেল? তাহলে ব্লগইন করে মজাটাই বা কি হলো বলুন? তো আজ আমার শরীরটা বেশ ভালো তবে মনটা একটু খারাপ! কেন জানেন?...    তারিখঃ ০৭/০৪/২০১২  |  সবটুকু পড়ুন »
Showing posts with label Tips and Tricks. Show all posts
Showing posts with label Tips and Tricks. Show all posts

Saturday, August 25, 2012

ব্লক করুন ওয়েবসাইট একটি ছোট ট্রিকস ব্যবহার করে!

" বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম "

আজ অনেকদিন পর আবার লিখতে বসলাম। ছোট ট্রিকস তাই বেশী কিছু বলে কথা বাড়াবো না। আমরা অনেকেই ইন্টারনেটে নানান ওয়েবসাইটে ঘুরাঘুরি করি। এ সময় নানান অপ্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট আমাদের সামনে প্রায়ই হাজির হয়। যার ফলে আমাদের ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথ অযথা খরচ হয়। এছাড়াও প্রোনোগ্রাফিক্যাল নানান ওয়েবসাইটও আমাদের সামনে হঠাৎ চলে আসে। আমরা চাইলেই এই সব ওয়েবসাইটগুলোকে আমাদের পিসিতে ব্লক করে রাখতে পারি। নাহ কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করে নয়। ছোট একটা ট্রিকস ব্যবহার করে। আর সেটা আপনিও পারবেন।

যাক আসুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাকঃ

১. প্রথমে Start - Run এ যান।

২. এবার c:\windows\system32\drivers\etc\hosts টাইপ করুন।

৩. Notepad সিলেক্ট করে OK বাটনে ক্লীক করুন।

৪. সেখানে দেখবেন 127.0.0.1 localhost লেখা আছে।

৫. তার ঠিক নিচে 38.25.63.10 Your Website link টি টাইপ করুন / পেষ্ট করে দিন।

৬. এবার Your Website link টির জায়গায় যে ওয়েবসাইটটি ব্লক করতে চান সেটি টাইপ করুন।

যেমন ধরুনঃ আপনি facebook ব্লক করতে চান তাহলে লিখুন 38.25.63.10     facebook.com

৭. এবার File - Save এ ক্লীক করুন।

৮. আপনার ব্রাউজারটি বন্ধ করে আবার চালু করুন। দেখুন আর ঐ ওয়েবসাইটে ঢুকা যাচ্ছে না।

৯. এভাবে আপনি একাধিক ওয়েবসাইট ব্লক করতে পারবেন।

১০. আপনি চাইলেই লিষ্ট থেকে নাম মুছে দিয়ে সেই ওয়েবসাইটটিকে আনব্লক করতে পারবেন।


কোন সমস্যা থাকলে বা প্রশ্ন থাকলে মতামত করে জানাতে পারেন .. ধন্যবাদ

»» Read more

Saturday, August 4, 2012

নতুন আবিস্কারঃ ঘুমের মধ্যে স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ

ঘুমের সময় মানুষ বহু ধরনের স্বপ্ন দেখে থাকে। স্বপ্নে খারাপ কিছু দেখে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে ওঠে। তাই স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করার নতুন এক প্রযুক্তির উদ্ভব হয়েছে। প্রযুক্তিটির নাম রিমি ঘুমের মুখোশ (স্লিপিং মাস্ক)। ঘুমের সময় এটির ব্যবহার মানুষের কল্পনাগুলো নির্মল রাখবে, মানসিক সুস্থতা এনে দেবে। মানুষের ইতিবাচক সব ভাবনা ঘুমের সময় স্বপ্ন হয়ে ধরা দেবে। নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ৩০ বছর বয়সী তরুণ দুই বিজ্ঞানী মুখোশটি তৈরি করেন। এটি তৈরি করতে ডুকান ফ্রেজার ও স্টেভ মেকগুইনের এক বছর সময় ব্যয় করতে হয়। তারা দু’জনে লক হ্যাভেন ও অ্যারিজোনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে ধারণা নিয়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে তারা মুখোশ তৈরির কাজে হাত দেন। যুক্তরাষ্ট্রের কিকস্ট্যারটার নামক ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠান জনগণের কাছ থেকে ফান্ড সংগ্রহ করে রিমি মুখোশ উদ্ভাবনে ফ্রেজার ও মেকগুইনকে সহায়তা করেন। মুখোশটি তৈরি করতে নিউইয়র্ক সিটির ৬৫৫০ লোক প্রায় ছয় লাখ ডলার অর্থ সাহায্য দেয়। জানা যায়, মুখোশটিতে র্যাপিড আই মুভমেন্ট নামক এক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ঘুমের সময় মস্তিষ্ককে সচেতন রাখে। ফলে মানুষ তার স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।


undefined


মুখোশটির অভ্যন্তরে ছয়টি ছোট লাইট ব্যাবহার করা হয়েছে। লাইটগুলোতে কিছু প্রোগ্রাম দেওয়া আছে। স্লিপউইথরিম নামের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রোগ্রামগুলো পরিচালিত হয়। ব্যবহারকারী ঘুমের আগে বাটন টিপে লাইট সচল করে দিলে প্রত্যাশিত ভাবনাগুলো স্বপ্নে এসে ধরা দেবে। ফ্রেজার ও মেকগুইন জানান, মুখোশ ব্যবহারে স্বাস্থ্যগত কোনো সমস্যা হবে না। তা ছাড়া ব্যবহারকারীরা আজ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করেননি। নতুন এই প্রযুক্তির সফল উদ্ভাবনের জন্য বিজ্ঞানীদ্বয়কে ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠান পাঁচ লাখ ডলার দিয়েছে। বাজারে পাঁচ রংয়ের রিমি মুখোশ পাওয়া যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া, ইতালি ও স্পেনের শৌখিন লোকজনের কাছে ইতোমধ্যে এর চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্রঃ দ্য বেঙ্গলি টাইমস
»» Read more

নিমিষেই বানিয়ে ফেলুন রিমিক্স গান!

পোষ্টি পাঠিয়েছেন : আশিক খান । সোনার বাংলাদেশ থেকে ....

কেমন আছেন সবাই আশাকরি সবাই ভালই আছেন ।আজ আমি আপনাদের সামনে একটি ব্যাতিক্রমধর্মী টিউন নিয়ে হাজির হয়েছি।ব্যাতিক্রম এই জন্য যে,আমি সাধারণত এ বিষয়ের উপরে টিউন করি না।কিন্তু আজ না করে পারলাম না,ভাবলাম টিউনটি করে হয়ত আপনাদের সাথে একটা বড় কিছু শেয়ার করতে পারব।বন্ধুরা,আসলেই এটা অনেক বড় কিছু যা হয়ত আপনি কল্পনা করতে পারবেন না। সাইজে ছোট কিন্তু কাজে অনেক বড়, এমনই একটি সফটওয়্যার এটি। এক কথায়,বিন্দুর মধ্যে সিন্ধু প্রমাণ কাজ করে এটি।




সফটওয়্যারটির নাম mp3 remix .নাম শুনেই নিশ্চয়ই কাজ প্রায় বুঝে গেছেন।তবে নাম এমন হলেও এটিতে ভিডিও গানও বাজানো যায়। এটা একটা স্বতন্ত্র সফটওয়্যার যা কোন প্লেয়ারের সাহায্য ছাড়াই চলতে পারে,তাছাড়া এর নিজস্ব প্লেয়ার আছে।এজন্য এটি একইসাথে নিজেই প্লেয়ার,নিজেই মিক্সার।তবে এর এতে যে শুধু বিল্টইন সাউন্ড ইফেক্ট যোগ করেই গান রিমিক্স করা যায় তা নয়,এর সাহায্যে আপনি নিজেও বিভিন্ন সাউন্ড ইফেক্ট তৈরি করতে পারবেন।আর হাজার হাজার বিল্ট ইন সাউন্ড ইফেক্ট তো আছেই।এর বাহ্যিক রূপটি দেখুন।
undefined

প্রথমে সফটওয়্যারটি এখান থেকে ডাউনলোড করুন
চেহারা দেখে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই,এটা এতো জটিল কিছু নয়।এর বিভিন্ন অংশ নিচে লেবেলিং করে দেখান হল
undefined

GROUPS OF SOUND EFFECTS বলতে সাউন্ড ইফেক্টের গ্রুপ বোঝান হয়েছে।সাউন্ড ইফেক্ট গুলো কোথায় প্রদর্শিত হয় তা তো লেবেলিং করে দেখানোই হল। বামে আছে সাউন্ড লেভেল।এর স্লাইডারটিকে ডানে বামে সরিয়ে ইফেক্টের সাউন্ড আর মূল গানের সাউন্ডের মধ্যে ব্যালান্স করতে পারবেন।

OPEN BUTTON এ ক্লিক করলে নিচের মত বক্স আসবে
undefined

এর মাধ্যমে আপনি যে গানটিকে রিমিক্স করতে চান তা আপনার পিসি থেকে সিলেক্ট করতে পারবেন।আর রেকর্ড বাটনতো দেখতেই পাচ্ছেন।

ব্যস, গান বাজতে থাকবে আর সাউন্ড ইফেক্টগুলো গানের সাথে সমন্বয় সাধন করে রিমিক্স হিসেবে এড হতে থাকবে।এখানেই শেষ নয়।মাত্র তো শুরু হল। আপনি ইচ্ছা করলে যে কোনো সাউন্ড ইফেক্ট বন্ধ রাখতে পারেন ঐ ইফেক্টের ঘরে ক্লিক করে। নিচে দেখুন।
undefined

আমি বামপাশের সবগুলো ইফেক্ট বন্ধ রেখেছি তাই এসব ঘর কালচে নীল দেখাচ্ছে।ডানপাশের ইফেক্টগুলো সক্রিয় আছে তাই এসব ঘর উজ্জল নীল দেখাচ্ছে।আর আপনি যদি সব গুলো ইফেক্টই বন্ধ রাখতে চান তাহলে উপরে ডানকোনায় যে সবুজ বাটন আছে তাতে ক্লিক করুন।ব্যস।অন করতে চাইলে আবার ক্লিক করুন।

ইফেক্ট কিন্তু এই কয়টাই নয়,আরো আছে। নিচে দেখানো লাল চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করুন।
undefined

তাহলে নিচের মত মেনু দেখবেন।
undefined

এখান থেকে লোড লুপ সিলেক্ট করুন। নিচের মত সাউন্ড ইফেক্টের বিশাল ভান্ডার আপনার সামনে ধরা দেবে।
undefined

দেখুন factory3 ইউজারের অধীনে আছে বেশ কয়েকটা লাইব্রেরী যেমন,boom,east coast ইত্যাদি আর প্রতিটা লাইব্রেরীতে আছে এর ডানপাশে প্রদর্শিত একঝাক ইফেক্টের মত অসংখ্য ইফেক্ট ।এখন যে ইফেক্টগুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলা তো শুধু boom লাইব্রেরীর ইফেক্ট!!!বাকি লাইব্রেরীগুলোর অবস্থা তাহলে চিন্তা করেন!!!

তাছাড়া আপনি নিচে প্রদর্শিত modify loop অপশনের মাধ্যমে যেকোনো ইফেক্টের পরিবর্তন ঘটাতে পারবেন।
undefined

Modify loop এ ক্লিক করার ফলে নিচের মত বক্স আসবে।
undefined

এখানে volume এর মাধ্যমে ইফেক্টের সাউন্ড বাড়ানো বা কমানো যায়। NOTE DURATION ,NOTE PER MEASURE ,MEASURES PER LOOP ইত্যাদির মাধ্যমে ইফেক্টটি কত ঘন ঘন বাজবে তা নির্ধারন করা যায়।

Select sound এ ক্লিক করলে নিচের মত বক্স পাওয়া যায়।
undefined

এখানে ১৬টি ঘর দেখতে পাচ্ছেন,প্রতিটা ঘরেই এক একটি সাউন্ড সেট করে দিতে পারবেন যারা একসাথে বাজবে তাল মিলিয়ে। ১৬ টি সাউন্ডই যে সেট করতে হবে এমন কোন কথা নেই।আপনি ইচ্ছা করলে ১টা বা ২টা সাউন্ডও সেট করে দিতে পারেন।এখানে প্রতিটা ঘরের পাশে যে সিলেক্ট বাটন আছে তাতে ক্লিক করে সাউন্ড লোড করতে পারবেন নিচের মত।
undefined

এই বক্সটাও আগে দেখানো বক্সের মত তবে এতেও সাউন্ডের পরিমান অনেক। এখানে ডিজে রা যে সকল ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করে তার প্রায় সবগুলো সাউন্ডই পাবেন।প্রয়োজনীয় সাউন্ড সিলেক্ট করে বেরিয়ে আসুন।ব্যস,এভাবেই আপনি তৈরি করে ফেললেন আপনার মনের মত সাউন্ড ইফেক্ট।এই ইফেক্টটি save as… এর মাধ্যমে অন্য নামে সেভ করুন যাতে তা বিল্টইন সাউন্ডকে ওভার রাইট না করে।

এবার পছন্দ মত গান সিলেক্ট করে বাজান আর তৈরি করুন রিমিক্স!!!

জিপ ফাইল এক্সট্রাক্ট করার পরে remixInstallSTD-306 নামে একটা ফাইল পাবেন,এটাই সেটাপ ফাইল।এটি ইন্সটলের পরে ক্র্যাক ফোল্ডারে গিয়ে নিচের মত পাবেন।


প্রথম থেকে ২ নং ফাইল যেটা সিলেক্ট করা আছে,তা ওপেন করুন।কীজেন আসবে।
undefined

মিষ্টি মধুর মিউজুকের তালে তালে জেনারেট বাটনে ক্লিক করুন।নিচের মত লেখা আসবে।


হ্যা এইবার এটা ছাড়াও আরেকটা যে রেজিস্ট্রেশন এডিটর ফাইল আছে CR-MR3PL নামে।ঐটাতে ক্লিক করুন।কর্ম done!!!

/////////////////////////কষ্ট করে মন্তব্য করতে ভুলবেন না
আবারও আমি ডাউনলোড লিংক দিলাম ডাউনলোড করতে
এখানে ক্লিক করেন

[লেখাটির সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও কপিরাইট লেখকের। এখানে আইটি ওয়ার্ল্ডের কোন হাত নেই]
»» Read more

স্বাস্থ্যসম্মত পানীয়ঃ লেবুর শরবত !

লেবু হল সাইট্রাস লিমন (Citrus lemon) সাধারণ নাম। বংশবৃদ্ধিকারী টিস্যু আবৃতবীজী লেবুর বীজকে ঘিরে রাখে। লেবু রান্না করে বা রান্না না করে - উভয়ভাবেই খাওয়া হয়। ফল এর কদর মূলত রসের জন্যেই , যদিও এর শাঁস ও খোসাও ব্যবহৃত হয়, প্রধানত রান্না ও বেকারির কাজে। লেবুর রসে প্রায় ৫ শতাংশ (প্রতি লিটারে ০.৩ মোলের কাছাকাছি) সাইট্রিক এসিড থাকে যার কারণে এর স্বাদ টক হয় এবং pH ২-৩ হয়।


লেবুর অনেক গুণ। লেবুর শরবত একটি আদর্শ স্বাস্থ্যসম্মত পানীয়। মাত্র একটি মাঝারি আকৃতির লেবু থেকে চল্লিশ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড পাওয়া যা একজন মানুষের দৈনিক চাহিদার পূরণের জন্য যথেষ্ট। ভিটামিন ‘সি’ দেহের রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে বা ক্ষত হলে দ্রুতগতিতে কোলাজেন কোষ উপাদান তৈরি করে ক্ষত নিরাময়েও সাহায্য করে এই ভিটামিন ‘সি’। লেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাইট্রিক এসিড বিদ্যমান যা ক্যালসিয়াম নির্গমন হ্রাস করে পাথুরী রোগ প্রতিহত করতে পারে। লেবুর খোসার ভেতরের অংশে ‘রুটিন’ নামের বিশেষ ফ্ল্যাভানয়েড উপাদান আছে যা শিরা এবং রক্তজালিকার প্রাচীরকে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং সুরক্ষা দেয়। ফলে স্বভাবতই হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। লেবুর অন্যান্য ব্যবহারও কম নয়। রান্নায় বা আহারে লেবুর ব্যবহার বিজ্ঞানসম্মতভাবেই স্বাস্থ্যপ্রদ। ত্বক বা রূপচর্চায় লেবুর ব্যবহার ঐতিহ্যগত ভাবেই সুপ্রচলিত। বয়সজনিত মুখের স্পট বা দাগ সারাতে লেবুর রস যথেষ্ট কার্যকরী। লেবুর রস ব্যবহারে মুখের ব্রণও দ্রুত সারে। বাজারের ভেজাল মিশ্রিত পানীয় না খেয়ে টাটকা লেবুর রসের সাথে সামান্য চিনি বা মধু মিশিয়ে লেমোনেড তৈরি করা হয় যা একই সাথে তৃষ্ণা মেটায়।



লেবু শুধু খাদ্য হিসেবেই নয়, স্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রেও এর নানা প্রকার উপকারী দিক দেখা যায়। এর প্রভাবে যেমন আমাদের পুষ্টি পরিপূর্ণ হয় তেমনি আমাদের ত্বকের ওপরে বা সৌন্দর্যের দিকটিও এর ওপরে নির্ভর করে।
লেবু টক, মিষ্টি নানারকম স্বাদের হয়ে থাকে। ভিটামিন বি এবং ভিটামিন সি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকার জন্য লেবু আমাদের স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য উভয় দিকেই বেশ কার্যকরী প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তাই—

— ঘুম থেকে উঠে লেবুর পানি খেলে পেট পরিষ্কার হয়।

— যদি কারও বমির সমস্যা থাকে তবে লেবু সেক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে।

— লেবুর পানি পান করলে শারীরিক দিক থেকে আপনি তরতাজা অনুভব করবেন।

— লেবু খেলে শারীরিক অস্বস্তি দূর হতে পারে।

— মোটা হওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারেন নিয়মিত লেবু খাওয়ার অভ্যাস করলে।

— রক্ত পরিশুদ্ধ করতে লেবু খুব উপকারী।

— লেবু লিভারের বিকৃতির সমস্যার সমাধান করে থাকে।

— লেবুর পানি দিয়ে নিয়মিত কুলকুচি করলে দাঁতের সমস্যার সমাধান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধও দূর হয়।

— দুধের মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগালে তা ত্বক পরিষ্কার, টানটান এবং মসৃণ করে তোলে। এটি ত্বক পরিষ্কার করতেও ব্যবহার করা যায়।

—অর্ধেক লেবু এবং এক মুঠো খাবার সোডা মিশিয়ে তা বাসন মাজার কাজে বা কোন অপরিষ্কার নল ইত্যাদি পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

— প্লাস্টিক বা হাল্কা রংয়ের বাসনে খাবারের দাগ ধরে গেলে সেখানে লেবু ঘষে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিন। তারপর তা ধুয়ে নিলে বাসনে আর খাবারের দাগ লেগে থাকবে না।
»» Read more

Wednesday, July 4, 2012

উইন্ডোজ এক্সপি পরিচিতি ও সেটআপ (চিত্রসহ পরিপূর্ণ টিউটোরিয়াল )

বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম।
কেমন আছেন আছেন সবাই? তাই? যাক আলহামদুলিল্লাহ শুনে ভালো লাগলো। হ্যা আল্লাহর রহমতে আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আসলে জানেন অনেক দিন কোন লেখা লেখি করি নি। মনটা খুব উসখুস করে লেখা লেখি করার জন্য। কিন্তু এই পড়ালেখা। আহহ ! শুধু পরীক্ষা আর পরীক্ষা। তাই আসলে আর সময় হয়ে ওঠে নি। তো আপনারা হয়তবা জানেন কিছু দিন আগে আমি একটা লেখা লিখেছিলাম আর সেটা হলো রান কমান্ড নিয়ে। আজ সময় পেলাম আর লিখতে বসে গেলাম। :) কিন্তু তার আগে আসুন উইন্ডোজ এক্সপি সম্পর্কে কিছু জেনে নেই। যদিও জানি আপনারা এটা সম্পর্কে জানেন। তবুও আমি মনে করি যা নিয়ে লিখবো তার সম্পর্কে দুই চারটা কথা না বললে কেমন হয়ে যায় না ব্যাপারটা ?

উইন্ডোজ এক্সপি পরিচিতিঃ

উইন্ডোজ এক্সপি

আমরা সবাই জানি উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP) একটি অপারেটিং সিস্টেম। মুলত এটি একটি গ্রাফিক্স অপারেটিং সিস্টেম। এটি তৈরী করেছে মাইক্রোসফট কোম্পানী। কম্পিউটারের অন্য অনেক অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে এটি খুবই জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটি বাজারে আসে ২০০১ সালে। বাজারে আসার পরপরই এটি বহুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এবং আস্তে আস্তে মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। এমন হয়ত খুব কম মানুষই খুজে পাওয়া যাবে যারা এই OS টি ব্যবহার করেন নি। মার্কেটে আসার পর পর এতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়। আরো উন্নত করা হয়। বর্তমানে এর সর্বশেষ সংস্কারটি অর্থাৎ Service Pack 3 সর্বপ্রথম ২০০৮ সালে বাজারে আসে। যদিও এটি লিনাক্সের মত উইন্ডোজ কিন্তু উম্মুক্ত নয় তার পরেও এটি ব্যবহার করা খুব সহজ। বর্তমানে বাজারে উইন্ডোজ এক্সপির চেয়ে আরো উন্নত অপারেটিং সিস্টেম থাকা সর্ত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত আমাদের দেশের প্রায় ৬০% মানুষ উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করেন। উইন্ডোজ এক্সপির পরে মাইক্রোসফট এর পক্ষ থেকে বাজারে উইন্ডোজ ভিসতা , সেভেন বাজারে নেমেছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো এর পরেও উইন্ডোজ এক্সপির ব্যবহারের জনপ্রিয়তায় তেমন কোন প্রভাব ফেলে নি।

যেভাবে সেটআপ দিতে হবেঃ

এবার আসুন শিখে নেই এই অপারেটিং সিস্টেমটি আপনার কম্পিউটারে কীভাবে সেটআপ দিবেন। এটা খুবই সহজ। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমি নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করলাম এবং চিত্র সংযোজন করে দিলাম। তো আসুন এবার শিখে ফেলিঃ
  • আপনার কম্পিউটারের সিডি রমে Microsoft Windows XP এর সিডি ঢুকান। এই সিডিটি আপনি আপনার আশে পাশের কোন কম্পিউটারের দোকানেই কিনতে পারবেন। দাম? বেশী নিবে না। সিডি নিবে ২৫-৩০ টাকা অথবা ডিভিডি হলে ৪৫-৫০ টাকা নিবে। এবার আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
  • যখন বায়োস welcome screen আসবে তখন F12 অথবা Delete প্রেস করে বায়োস সেটিং এ যান। সেখান থেকে Boot অপশন এ গিয়ে আপনার CD-ROM টি 1st Boot এ সিলেক্ট করে দিন। তারপর Save করে বের হয়ে আসুন। ফলে কম্পিউটার পুনরায় Restart নিবে।
  • এবার কিছুক্ষন পর Press any key to boot from CD ... লেখা আসবে । এই লেখাটি আসলে আপনার কীবোর্ড থেকে যেকোন একটা Key প্রেস করুন।
  • একটা নীল ক্রীন আসবে। সেখানে সেটআপের সব ফাইলগুলো অটোমেটিক লোড হবে। এখানে কোন কিছু করার দরকার নেই। আপন মনেই লোড হতে দিন সব কিছু।
  • সেটআপের সব ফাইল লোড হয়ে গেলে Enter প্রেস করুন।
  • এখন আপনি ওদের নীতিমালাগুলো মানতে রাজি কিনা সেটা জানতে চাইবে। যেহেতু আমরা রাজি so আপনার কীবোর্ড থেকে F8 প্রেস করুন।
  • এবার বলবে আপনি কি আপনার উইন্ডোজ এক্সপি Repair করতে চান? যেহেতু আমরা উইন্ডোজ এক্সপির fresh copy install করবো তাই আপনার কীবোর্ড থেকে ESC প্রেস করুন। [ যদি এমন কোন অপশন না আসে তাহলে এটা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোন দরকার নেই। ]
  • এখন আপনার System ড্রাইভ মানে C ড্রাইভ সিলেক্ট করুন। তারপর কীবোর্ড থেকে D প্রেস করুন। তারপর Enter প্রেস করুন। তারপর আবার L প্রেস করুন। যার ফলে দেখবেন আপনার C ড্রাইভটির পার্টিশন ডিলিট হয়ে যাবে। আবার Enter প্রেস করুন।
  • এবার পার্টিশন অপশন Select করতে বলবে। আপনি ওখান থেকে NTFS ফরমেটটি সিলেক্ট করে Enter প্রেস করবেন।
  • ফলে আপনার C ড্রাইভটি ফরমেট হওয়া শুরু করবে। সবকিছু অটোমেটিক হবে। আপনাকে কোন কিছু করতে হবে না।
  • ফরমেট complete হয়ে গেলে এবার সেটআপ ফাইল আপনার হার্ডডিস্কে কপি হবে। কপি শেষে কম্পিউটার অটোমেটিক রির্স্টাট নিবে।
  • মনে রাখবেনঃ কম্পিউটার রির্স্টাট নেওয়ার পর কিন্তু আবার Press any key to boot from CD ... লেখা আসবে । সেখানে কিন্তু কোন কিছু প্রেস করবেন না। সব কিছু অটোমেটিক হবে।
  • এবার নিচের মতো স্ক্রীন আসবে। এখানে কিছু করতে হবে না সব কিছু অটোমেটিক হবে।
  • কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর একটা ডায়ালগ বক্স আসবে। সেখানে Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • আপনার নাম ও কোম্পানির নাম অথবা আপনার যা ইচ্ছা করে লিখুন। :) তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • এবার CD Key টাইপ করতে বলবে। যদি CD Key চায় তাহলে আপনার উইন্ডোজ এক্সপির সিডির প্যাকেটের গায়ে দেখুন CD Key দেওয়া আছে। যদি এমন কোন অপশন না আসে তাহলে টেনশন করার কোন প্রয়োজন নেই।
  • এবার আপনার কম্পিউটার name দেখাবে। আপনি যদি আপনার কম্পিউটারে পাশওয়ার্ড ব্যবহার করতে চান তাহলে Administrator Password এ গিয়ে আপনার পাশওয়ার্ড লিখুন। তারপর পুনরায় তা Conform Password এ তা টাইপ করুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • পরবর্তী ধাপে Date আর Time Zone সেট করতে বলবে। সেখানে সব কিছু Default রেখে Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • নেটওয়ার্ক সেটিং আসবে। Typical Settings এর রেডিও বাটনটিতে ক্লীক করে mark করে দিন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • এইধাপে কোন কিছু পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। Next বাটনটিতে ক্লীক করুন।
  • ফলে নিচের মতো স্ক্রীন আসবে এবং আবার সব কিছু অটোমেটিং সেটআপ হতে থাকবে। সেটআপ হয়ে গেলে কম্পিউটার অটোমেটিকভাবে Restart নিবে।
  • এরপর কম্পিউটার আবার চালু হবে। যেহেতু CD সিডিরমে ঢুকানোই রয়েছে তাই আবার Press any key to boot from CD ... লেখা আসবে । এখানে কোন Key চাপবেন না।
  • নিচের ছবির মতো মেসেজ আসতে পারে। সেখানে OK বাটনে ক্লীক করুন।
  • আবার নিচের ছবির মতো মেসেজ আসতে পারে। সেখানে OK বাটনে ক্লীক করুন।
  • এখন এখানে Next বাটনটিতে ক্লীক করুন।
  • ইন্টারনেট কানেকশন চেক করতে পারে। এই পর্যায়ে Skip বাটনে ক্লীক করুন।
  • আবার Skip বাটনে ক্লীক করুন।
  • রেজিষ্টেশন করতে বলবে। এখানে Not Now এ ক্লীক করুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • এরপর ব্যবহারকারীর নাম লিখুন। তারপর Next বাটনে ক্লীক করুন।
  • ব্যাস! সব কাজ শেষ। এখন Finish বাটনে ক্লীক করুন।
  • এরপর দেখবেন ইনশাআল্লাহ Welcome স্ক্রীন দেখা যাবে।
  • কিছুক্ষন পর আপনার সামনে Desktop হাজির হয়ে যাবে।
দেখলেন তো কত সহজেই নাহ Windows XP সেটআপ দেয়া যায়।

Motherboard সেটআপঃ



এখন আপনার Motherboard এর Driver Install করে Sound , Video, Lan ইত্যাদি সক্রিয় করুন। আর হ্যা মনে রাখবেন এটা কিন্তু অবশ্যই জরুরী Windows XP এর জন্য। কেননা এটা Windows 7 এর মতো নয় যে Automatic সব কিছু সেটআপ নিয়ে নেবে। যদি Motherboard সেটআপ না থাকে তাহলে আপনি গান শোনা, বা ভিডিও দেখা ইত্যাদি কাজ করতে পারবেন না। তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। কেননা আপনি যখন পিসি কিনবেন তখন দোকানদারই আপনাকে MotherBoard এর সিডি আপনাকে দিয়ে দিবে। আর যারা 2nd Hand মানে পুরোনো পিসি কিনেছেন তারা তাদের প্রকৃত ব্যবহারকারীর কাছ থেকে এই সিডিটি সংগ্রহ করে নিবেন। আর যদি কোন দুর্ভাগ্যবান থাকেন যে তাদের কাছে কোন সিডি নেই তাহলে তারা তাদের Motherboard এর Driver গুলো Website থেকে নামিয়ে নিতে পারেন। এর জন্য আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই ওয়েবসাইটটি। আশা করি আপনারা ওখানেই আপনাদের চাহিদা মতো সব Motherboard এর সফটওয়্যার / ড্রাইভার পেয়ে যাবেন।

আশা করি এই পোষ্টটি আপনাদের কাজে আসবে। আসলে আমি খুবই ব্যস্ত। কারণ আমার কলেজে পরীক্ষা চলছে। তবুও দেখুন? রাত জেগে লিখছি যাতে করে আপনাদের বিন্দুমাত্র উপকার করতে পারি। যদি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে আমার এই রাতজাগা পরিশ্রম সার্থক। কোন সমস্যা হলে মতামত করে জানাবেন। আর হ্যা কেমন লাগলো এবং কোন ভুল ক্রুটি থাকলে ক্ষমা করে সেটি জানাবেন। হে আল্লাহ আমাদের সবার উপর আপনার অশেষ রহমত ও করুণা নাযিল করুন। আমীন।
সবাইকে ধন্যবাদ ...
-মোঃ আব্দুর রহিম
»» Read more