খুশকি মুক্ত চুল পেতে যা করণীয়!

আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সবাই মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমিও আপনাদের সবার দোয়ায় ও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। প্রথমেই একটু বক বক করে নেই। নয়তো আবার পরে আফসোস করবো এই বলে যে, আহারে! সবাইকে তো টিপস শেয়ার করলাম কিন্তু মনের কথাটা মনেই থেকে গেল? তাহলে ব্লগইন করে মজাটাই বা কি হলো বলুন? তো আজ আমার শরীরটা বেশ ভালো তবে মনটা একটু খারাপ! কেন জানেন?...    তারিখঃ ০৭/০৪/২০১২  |  সবটুকু পড়ুন »
Showing posts with label Fun. Show all posts
Showing posts with label Fun. Show all posts

Wednesday, May 30, 2012

ছোট তবে মজার কৌতুক !

মজার কিছু কৌতুক শেয়ার করলাম .. আশা করি ভালো লাগবে .. 

 
জাহাজের ক্যাপ্টেন নিয়োগ পেতে এক লোক ইন্টারভিউ দিতে এসেছে
নিয়োগ কর্তা : তুমি কি সাঁতার জানো?
চাকরি প্রার্থী : জি না স্যার।
নিয়োগ কর্তা : সে কী, জাহাজের ক্যাপ্টেন পদে চাকরি করতে এসেছ অথচ সাঁতার জানো না!
চাকরিপ্রার্থী : কিছু মনে করবেন না স্যার, পাইলটরা তো উড়োজাহাজ চালায়, কিন্তু তারা কি উড়তে জানে!


""""""" দুই বন্ধুর আলাপ
১ম বন্ধু : দশতলা থেকে পাঁচ জন লাফ মারল। আশ্চর্যের ব্যাপার একজনও আহত হল না।
২য় বন্ধু : বলিস কী! অত উঁচু থেকে পড়ল আর কিছুই হল না।
১ম বন্ধু : কিছুই হবে না কেন? পাঁচজনই নিহত হয়েছে।
""""""""" পিতা ও ছেলের আলাপ
ছেলে : বাবা, আমি কোথা থেকে এসেছি?
বাবা : এ্যাঁ: ইয়েঃ বাবা বড় হয়ে বই পড়ে নিজেই জানতে পারবে?
ছেলে : এটা জানতে আবার বই পড়তে হবে? রাতুল তো বলল ওরা বরিশাল থেকে এসেছে।



"""""""""""""
ভিক্ষুক ও পথিকের মধ্যে কথোপকথন:
ভিক্ষুক : দশটা টাকা ভিক্ষা দেন স্যার, চা খাব।
পথিক : চা তো পাঁচ টাকা। দশ টাকা চাও কেন?
ভিক্ষুক : বান্ধবীকে নিয়ে খাব স্যার।
পথিক : বাহ, ভিক্ষুক হয়ে আবার বান্ধবী বানিয়েছ!
ভিক্ষুক : না স্যার, বান্ধবীই আমাকে ভিক্ষুক বানিয়েছে!
»» Read more

Monday, May 28, 2012

মোনালিসা : যত মজার বিবর্তন (ছবি ব্লগ)

বিসমিল্লাহীর রহমানীর রাহীম।
আশা করি সবাই আল্লাহর অশেষ রহমত ও করুণায় ভালোই আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে এবং আপনাদের দোয়ায় ভালোই আছি। অনেকদিন ধরে ব্লগে আসা হচ্ছে না। বেশ ব্যস্ত। সেই সাথে নতুন কোন লেখাও শেয়ার করতে পারছি না আপনাদের সাথে। তবুও ইচ্ছা থাকলেই তো উপায় হয় তাই নাহ? আপনারা জানেন আমি বেশ অনেকগুলো স্বাস্থ্য নিয়ে লিখেছি। তো মনে করলাম শুধু ডাক্তার ডাক্তার ভাব নিলেই তো চলবে না। একটু সবাইকে আজ না হয় একটু হাসিয়েই ছাড়ি.. হেহে কি বলেন? তাই তো আমার আজকের এই পোষ্টটা লেখা। তবে মজার ব্যাপার হলো এটা মোনালিসাকে নিয়ে। আসলে আজ নেটে ঘুরতে ঘুরতে দারুন একটা আইডিয়া পেয়ে গেলাম। আমি এই পোষ্টে বিখ্যাত চিত্রকর্ম মোনালিসার বেশ কিছু রূপ আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। তবে আগেই বলে রাখছি "এই পোষ্টটা শুধু মাত্র মজার জন্য। কাউকে হার্ট করার উদ্দেশ্য পোষ্টি করা হয়নি। অথবা মোনালিসাকে অপমান করার জন্যও এই পোষ্টা করা হয় নি। নেটে দেখলাম আর ইচ্ছা হলো শুধু আমি হাসবো কেন? সবারই তো হাসার অধিকার আছে তাই নাহ? যদি কারো আপত্তি থাকে তাহলে জানাতে পারেন। আর হ্যা এই সব ছবির পেছনে আমার কোন হাত নেই। আরে ভাই আমি তো শুধু দর্শক। আপনার মতো :) হিহি .. মোনালিসা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। তবুও যারা আমার মতো কম বোঝেন তাদের জন্য হালকা পাতলা কিছু বর্ণনা দিলামঃ আর হ্যা ভাই এটাতে আমায় সাহায্য করেছে উইকি মামা :)

মোনালিসা কে?

মোনালিসা
মোনালিসা একটি বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্ম। ইতালীর শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৬ শতকে এই ছবিটি অংকন করেন। ধারণা করা হয়, বিখ্যাত এই ছবিটি মোনা লিসার দ্বিতীয় পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ স্মরণে অঙ্কিত হয়। অনেক শিল্প-গবেষক রহস্যময় হাসির এই নারীকে ফ্লোরেন্টাইনের বণিক ফ্রান্সিসকো দ্য গিওকন্ডোর স্ত্রী লিসা গেরাদিনি বলে সনাক্ত করেছেন। শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভ জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। মূলত লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে একটি পাইন কাঠের টুকরোর ওপর মোনা লিসার এই ছবিটি আঁকেন। চিত্রকলার ইতিহাসে এই চিত্রকর্মটির মতো আর কোনটি এত আলোচিত ও বিখ্যাত হয়নি। এর একমাত্র কারণ মোনা লিসার সেই কৌতূহলোদ্দীপক হাসি যা পরবর্তীতে বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বর্তমানে এটি প্যারিস শহরের ল্যুভ জাদুঘরে রাখা আছে। এটি ছিল শিল্পীর সবচেয়ে প্রিয় ছবি এবং তিনি সবসময় এটিকে সঙ্গেই রাখতেন।

এবার আসুন মোনালিসার মজার কিছু রূপ দেখিঃ



 


 
সা"]

আর সব শেষে : বাংলার বধু সেজে মোনালিসা


কেমন লাগলো বলুন তো? যদি আপনাদের মজা লাগে তাহলে আমার পরিশ্রম সার্থক :)
- মোঃ আব্দুর রহিম
আরো পড়ুনঃ
»» Read more

Thursday, May 24, 2012

মজার কিছু বিভ্রান্তি !

১) দেখুনতো নিচের ছবিটি। কিছু বুঝলেন?




undefined



২) নিচের ছবিটির মাঝের ডট এর দিকে ৩০ সেকেন্ড একটানা তাকিয়ে থাকুন। এবার চোখ বন্ধ করুন অথবা কোনও দেয়ালে তাকিয়ে চোখ পিটপিট করুন। কিছু দেখতে পান কি?

undefined



৩) লাল বৃত্তের মাঝের সাদা ডট টিতে চোখকে ফোকাস করুন। তাকিয়ে থাকুন,মাথা নাড়াবেন না । ১ মিনিট, পারলে ২ মিনিট টানা তাকিয়ে থাকুন। এবার মাথা মনিটর হতে পিছে সরিয়ে নিন, চোখ সরাবেন না। চারপাশে উজ্জ্বল নীল রং দেখতে পাচ্ছেন কি?

undefined



৪) ছবির কালো বাল্ব টির দিকে টানা ৩০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এবার চোখ সরিয়ে পাশের সাদা খালি জায়গায় তাকান। কি দেখছেন?





৫) নিচের লেখা টিকে কি স্থির মনে হয় নাকি ----------

undefined



৬) মাঝের কালো ডট টির দিকে টানা এক মিনিট তাকিয়ে থাকুন। দেখবেন চারপাশের সব রং অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। undefined



অনেক সময় নষ্ট করলাম আপনাদের। তবে মজা পেয়েছেন কি?
»» Read more